Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পিছিয়ে পড়েও ফ্রান্সের সঙ্গে ড্র ইতালির

Published October 3, 2026 · Updated October 3, 2026 · By Elizabeth Smith - banglaprabah.com

Foto : Elizabeth Smith - banglaprabah.com

ইতালির সঙ্গে পয়েন্ট ভাগ করে থামল ফ্রান্স

Banglaprabah.com – প ছ য় পড় ও ফ র - সেন্ত-দেনিসের স্তাদ দ্য ফ্রান্সে দ্বিতীয়ার্ধে এগিয়ে গিয়েও জয় ধরে রাখতে পারল না ফ্রান্স। উয়েফা নেশনস লিগের গ্রুপ ওয়ানের তৃতীয় রাউন্ডে ইতালির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে জিনেদিন জিদানের দল। মাইকেল ওলিসের দৃষ্টিনন্দন গোলে স্বাগতিকদের উৎসবের আবহ তৈরি হলেও আলেসান্দ্রো বাস্তোনির গোলে দ্রুতই সমতা ফেরায় ইতালি।

ফ্রান্সের জন্য এটি ছিল প্রতিযোগিতার প্রথম পয়েন্ট হারানো ম্যাচ। প্রথম দুই খেলায় ১-০ ব্যবধানে জেতার পর ঘরের মাঠেও আরেকটি সাফল্যের আশা ছিল তাদের। কিন্তু ইতালির দৃঢ়তা, জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার গোলরক্ষক হিসেবে কার্যকর ভূমিকা এবং শেষদিকে ফ্রান্সের একজন কমে যাওয়া ম্যাচটিকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যায়।

গোলশূন্য প্রথমার্ধ, বদলে যাওয়া দ্বিতীয় অংশ

শুরুর ৪৫ মিনিটে দুই দলই আক্রমণের সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করেছে। মাঝমাঠের লড়াই ছিল জমাট, রক্ষণভাগও প্রতিপক্ষকে সহজে জায়গা দেয়নি। ফলে বিরতির আগে কোনো দল গোলের দেখা পায়নি। ইতালি নিজেদের গুছিয়ে রেখেছিল, আর ফ্রান্স বল দখলে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তের কার্যকারিতার অভাব অনুভব করে।

বিরতির পর ম্যাচে গতি বাড়ে। ৫৫তম মিনিটে ফ্রান্স যে গোলটি করে, সেটি ছিল পরিকল্পিত ফ্রি কিকের ফল। সরাসরি শট নেওয়ার বদলে শেরকি বল বাড়িয়ে দেন ওলিসের দিকে। বাঁ পায়ের জোরালো শটটি ক্রসবারে লেগে জালে প্রবেশ করে। দোন্নারুম্মা বলের গতিপথ দেখলেও ঠেকানোর মতো অবস্থানে পৌঁছাতে পারেননি।

বেলজিয়ামের বিপক্ষে আগের ম্যাচেও ফ্রান্সকে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দেওয়া ওলিসে আবারও দলের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর গোলের পর মনে হচ্ছিল, ফ্রান্স হয়তো নিজেদের মাঠে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে টানা তৃতীয় জয় তুলে নেবে।

বাস্তোনির জবাব

কিন্তু ইতালি বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকেনি। ফ্রান্সের গোলের মাত্র ১৩ মিনিট পর আক্রমণে উঠে আসেন আলেসান্দ্রো বাস্তোনি। প্রতিপক্ষের বক্স থেকে কিছুটা দূরে বল পান তিনি। আদ্রিয়াঁ রাবিওর পাসে লুকাস দা কুনহার ভুলের সুযোগ নিয়ে বলটি চলে যায় ইতালীয় ডিফেন্ডারের পায়ে।

সুযোগ পেয়ে বাস্তোনি সামনে এগিয়ে যান এবং গোলমুখে শট নেন। ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান ইন্টার মিলানের এই ডিফেন্ডার। স্কোরলাইন হয়ে যায় ১-১, যা শেষ বাঁশি পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকে।

তুরস্কের বিপক্ষে ইতালির ৪-১ গোলের জয়ে কয়েক দিন আগেই প্রথম গোলটি করেছিলেন বাস্তোনি। ফ্রান্সের বিরুদ্ধেও গোল করে চলতি নেশনস লিগে নিজের গোলসংখ্যা দুইয়ে উন্নীত করলেন তিনি। রক্ষণভাগের একজন খেলোয়াড় হয়েও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করার এই সক্ষমতা ইতালির জন্য বাড়তি শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

দোন্নারুম্মার দৃঢ়তা

সমতা ফেরার পরও ফ্রান্স আক্রমণের চাপ বাড়িয়েছিল। তবে ইতালির জালে দ্বিতীয়বার বল পাঠাতে পারেনি তারা। এই ফলের পেছনে দোন্নারুম্মার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ম্যানচেস্টার সিটির এই গোলরক্ষক ম্যাচে সাতটি সেভ করেছেন এবং একাধিকবার ফ্রান্সের আক্রমণ থামিয়েছেন।

ওলিসের গোল ছাড়া ফ্রান্সের অন্য সব প্রয়াস ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম কারণ ছিল ইতালির গোলরক্ষকের সতর্ক অবস্থান। ফ্রান্স আক্রমণে সংখ্যা বাড়ালেও ইতালির রক্ষণভাগ ও দোন্নারুম্মা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দলকে ম্যাচে রাখেন।

উপামেকানোর বিদায়, তবু ফল বদলায়নি

ম্যাচের শেষ দিকে দায়েত উপামেকানো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ফ্রান্স ১০ জনের দলে পরিণত হয়। সংখ্যার এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে ইতালি শেষ সময়ে জয়ের গোলের চেষ্টা করেছিল। তবু ফ্রান্সের বাকি খেলোয়াড়েরা রক্ষণে দৃঢ় থেকে আর কোনো গোল হতে দেয়নি।

ফলে দুই দলই একটি করে পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে। ফ্রান্সের জন্য ড্রটি জয়হীন একটি রাত হলেও টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে বড় ক্ষতি হয়নি। অন্যদিকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে পয়েন্ট নিয়ে ইতালি নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে।

গ্রুপের চিত্র

একই রাতে বেলজিয়াম ৩-০ গোলে তুরস্ককে হারিয়েছে। কেভিন ডি ব্রুইনা করেছেন দুটি গোল, আর রোমেলু লুকাকু যোগ করেছেন একটি। এই জয়ের ফলে বেলজিয়াম তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ওয়ানে দ্বিতীয় স্থানে আছে।

ফ্রান্স তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করে শীর্ষে রয়েছে। ইতালির পয়েন্ট ৪, তারা অবস্থান করছে তৃতীয় স্থানে। এখনো কোনো পয়েন্ট পায়নি তুরস্ক। গ্রুপের লড়াইয়ে ফ্রান্স এগিয়ে থাকলেও ইতালির সঙ্গে এই ড্র দেখিয়ে দিল, পরের ম্যাচগুলোতে সামান্য ভুলও ফল বদলে দিতে পারে।

ফ্রান্সের সামনে এখন নিজেদের আক্রমণকে আরও ধারালো করার চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রশ্নে। ইতালি আবার প্রমাণ করল, চাপের মধ্যে থেকেও তারা প্রত্যাবর্তনের পথ খুঁজে নিতে পারে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is প ছ য় পড় ও ফ র?

প ছ য় পড় ও ফ র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does প ছ য় পড় ও ফ র matter?

প ছ য় পড় ও ফ র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.