পশ্চিমবঙ্গে ফলতা আসনে পুনর্নির্বাচন শেষ, ভোটগ্রহণ সম্পন্ন
পশ চ মবঙ গ র ফলত য় – বৃহস্পতিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার মহকুমার ফলতা আসনে পুনর্নির্বাচন সম্পন্ন হয়। নির্বাচনের ময়দানে পুনর্বাসনের জন্য নির্বাচন কমিশন ব্যাপক সহিংসতার কারণে আগে এই আসনের ফল বাতিল করেছিল। আবার আজ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
বৃহস্পতিবার পুনর্নির্বাচনে দুপুর ৫টা পর্যন্ত ফলতা আসনে বোঝাই হয়েছে ৮৩ শতাংশ ভোট। এই মামলায় আদালত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কড়া ব্যবস্থা প্রয়োগ করেছে এবং তিনি সশরীরে হাজির হতে বাধ্য হন। তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না আদালতের অনুমতি ছাড়া।
অভিষেকের বক্তব্যে মামলার সংঘটন
আগে এই আসনে নির্বাচন বাতিল করা হয়েছিল কারণ সহিংসতা। পরে পুনর্নির্বাচন হয়েছে তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। কলকাতা হাইকোর্টে তিনি আবেদন করেন সেই মামলার খারিজের জন্য।
“নতুন মুখ্যমন্ত্রী আমাদের এই ফলতার জন্য উন্নয়নমুখী প্যাকেজ ঘোষণা করায় আমি নির্বাচনের ময়দান থেকে সরে গেলাম। আমি জানি, আগামি ফলতা হয়ে উঠবে সোনার ফলতা।”
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মামলার শুনানি করেন ১৮ মে। তিনি এফআইআর বাতিলের আবেদন খারিজ করেন। বিচারপতি জানান, দলের শীর্ষ পদে থাকার সত্ত্বেও অভিষেক নির্বাচনী প্রচারে দায়িত্বহীন মন্তব্য করতে পারেন না। তবে আগামি জুলাই মাস পর্যন্ত পুলিশ তাঁকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দেয় না।
তৃণমূল কংগ্রেসের এই মামলায় সংসদ সদস্য আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিবাদী হন। এই আদেশে অভিষেককে আবার শুনানি হবে ২০ জুলাই। সেখানে তিনি সশরীরে হাজির হতে বাধ্য হন। এই সময় পুলিশকে তাঁর সহযোগিতা করতে হবে।
অন্যদিকে আলিপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খান। তিনি কলকাতার তিন জেলায় বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন সহিংসতা করার অভিযোগে জামিন নিয়েছেন। আইনজীবী তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কিন্তু আবার ৯ জন আগে জামিন নিয়েছিলেন।
