Uncategorized

নোয়াখালীর বামনী নদীতে ক্লোজার নির্মাণে সফলতা, রক্ষা পাবে ২৮০ কোটি টাকার সম্পদ

বামনী নদীতে ক্লোজার বাঁধ নির্মাণে সফলতা, ২৮০ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা পাবে ন য় খ ল র ব মন - বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃক নোয়াখালী জেলার বামনী

Desk Uncategorized
Published June 11, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বামনী নদীতে ক্লোজার বাঁধ নির্মাণে সফলতা, ২৮০ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা পাবে

ন য় খ ল র ব মন – বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃক নোয়াখালী জেলার বামনী নদীতে ক্লোজার বাঁধ নির্মাণ করতে সম্প্রতি সফলতা পেয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এ বাঁধ দ্বারা কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততা ও নিষ্কাশন সমস্যার সমাধান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, সম্পূর্ণ প্রকল্পের কাজ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত শেষ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে জটিল অংশ হল ক্লোজার বাঁধ।

প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হল জলাবদ্ধতা দূর করা, লবণাক্ত পানি প্রবেশ রোধ করা, বন্যা ব্যবস্থাপনা এবং সেচসুবিধার উন্নয়ন। এ বাঁধটি প্রায় ৪১৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১০ মিটার গভীরতার হবে। গত ১০ মার্চ পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এবং পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রতিষ্ঠান প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (পিডিএল) ও পাউবো যৌথভাবে কাজ শুরু করে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রেফাত জামিল বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া ও অন্যান্য পরিস্থিতি কারণে প্রকল্পে কিছু বিলম্ব হয়েছিল। তবুও জনস্বার্থে আমরা কাজ সম্পূর্ণ করতে প্রতিকূল আবহাওয়া, তীব্র জোয়ার ও ভারী বর্ষণ সত্ত্বেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চলিয়েছি।

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, নদী ভাঙনে তাঁদের বাড়িঘর ও কৃষিজমি হারিয়েছে। ক্লোজার বাঁধ নির্মাণের ফলে আর জোয়ারের পানি ও ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটতে হবে না। এ বাঁধটি প্রায় ৫০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রায় ৯ লাখ মানুষ ও সম্পদ সুরক্ষিত হবে। পাউবো সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীতে পলি জমা কারণে নদী ভরাট হয়ে অববাহিকাগুলোতে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততা ঘটে। এর আগে এখানে একটি ১৯-ভেন্ট বিশিষ্ট রেগুলেটর নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে ক্লোজার বাঁধ না থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধ রাখা সম্ভব হয়নি।

পিডিএল কর্তৃক প্রয়োজনীয় জিও ব্যাগ, জিওটিউব ও জিও টেক্সটাইল শিট নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ করে কাজে গতিশীলতা রেখেছে বলে জানা গেছে। ক্লোজার বাঁধ নির্মাণে মানুষের কষ্টের বিষয়টি বিবেচনা করে মাত্র তিন মাসে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। কর্মকর্তারা আশা করছেন নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প

Leave a Comment