নীলফামারীর বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী, ১৭ দিন পর রাজবাড়ীতে উদ্ধার
নীলফামারীর মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ১৭ দিন পর রাজবাড়ীতে উদ্ধার
Banglaprabah.com – ন লফ ম র র ব ড় - নীলফামারীর বাসিন্দা জোবেদা খাতুন নামের এক ৬৬ বছর বয়সী নারী গত ১৭ দিন ধরে পরিবারের কাছ থেকে নিখোঁজ ছিলেন। মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন এই নারীটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তার কোনো খোঁজ পাচ্ছিল না তার স্বজনরা। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি চালানোর পাশাপাশি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত রাজবাড়ীতে পুলিশের সহায়তায় তিনি পরিবারের কাছে ফিরে আসেন।
ইজিবাইকের ধাক্কায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজবাড়ী পৌরসভা কার্যালয়ের সামনের সড়ক দিয়ে হাঁটার সময় একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের ধাক্কায় আহত হন জোবেদা খাতুন। স্থানীয় লোকজন ও ইজিবাইকচালকের সহযোগিতায় সদর থানার পুলিশ তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়। তাঁর ঠোঁটে সেলাই দেওয়া হয়। কিন্তু কথা বলতে না পারা এবং মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাঁর পরিচয় জানা যাচ্ছিল না।
আঙুলের ছাপ ও এনআইডি তথ্য দিয়ে শনাক্তকরণ
বিষয়টি জানার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে গতকাল সকালে ফরিদপুর থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল রাজবাড়ীতে আসে। তারা জোবেদা খাতুনের আঙুলের ছাপ নেয়। সেই ছাপের ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য পাওয়া যায়। এতে জানা যায়, তাঁর বাড়ি নীলফামারীতে। পরে এনআইডির সঙ্গে নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বরের তথ্য সংগ্রহ করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। তখন তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হয়।
রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ জানান, ইজিবাইকচালকের সহযোগিতায় আহত নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি বলেন, চিকিৎসার পাশাপাশি ইজিবাইকচালক ও পুলিশ তাঁর ওষুধের ব্যবস্থা করে। পরে ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরিবারের সদস্যরা এসে তাঁকে শনাক্ত করেন।
ছেলে শাহিনুর রহমানের কাছে পরিবারের কাছে ফেরত
পুলিশ জানায়, জোবেদা খাতুনের এক ছেলে নীলফামারী পুলিশ লাইনসের মেসে কাজ করেন। আরেক ছেলে চাকরি করেন সাভারে। সাভারে থাকা ছেলে গতকাল রাতে রাজবাড়ীতে পৌঁছান। রাত নটার দিকে জোবেদা খাতুনকে ছেলের কাছে তুলে দেওয়া হয়।
জোবেদা খাতুনের ছেলে শাহিনুর রহমান বলেন, 'কয়েক মাস আগে মা স্ট্রোক করার পর শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে যায়। এরপর তিনি অনেকটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। ১৭ দিন আগে সবার অজান্তে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাঁকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। শনিবার দুপুরে রাজবাড়ী সদর থানার ওসি স্যার ফোন করে জানালে আমরা চলে আসি। অনেক দিন পর মাকে খুঁজে পেয়েছি, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।'
জোবেদা খাতুন নীলফামারী সদর উপজেলার নীলফামারী বাজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়ারেছিপাড়ার বাসিন্দা। তিনি জিয়ার উদ্দিন রহমানের স্ত্রী। পরিবার জানিয়েছে, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
নীলফামারীর নিখোঁজ নারীটি কোথায় উদ্ধার হন? জোবেদা খাতুন রাজবাড়ী পৌরসভা কার্যালয়ের সামনের সড়ক থেকে ইজিবাইকের ধাক্কায় আহত অবস্থায় উদ্ধার হন।
তিনি কতদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন? তিনি ১৭ দিন ধরে পরিবারের কাছ থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
পরিচয় কীভাবে নিশ্চিত করা হয়? আঙুলের ছাপের ভিত্তিতে এনআইডি তথ্য পাওয়া যায় এবং নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বরের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
তিনি কোথায় চিকিৎসা নেন? তিনি রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ন লফ ম র র ব ড়?ন লফ ম র র ব ড় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ন লফ ম র র ব ড় matter?ন লফ ম র র ব ড় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.