নিলয় হিমির ভিন্ন গল্প
নিল হিমির ভিন্ন গল্প: চরের রোদে ডাকাতের চরিত্রে দশ বছরের নতুন অধ্যায়
Banglaprabah.com – ন লয় হ ম র ভ ন - বাংলাদেশের টিভি দর্শকদের কাছে এই জুটির নাম প্রায়ই হাসি-রোমান্সের সঙ্গে জড়িত—গৃহকর্মী-মালিকের মেয়ের প্রেম, নিরাপত্তারক্ষী-ভাড়াটিয়ার প্রেম, ঝগড়াঝাটিতে ভরা স্বামী-স্ত্রীর নাটক। তবে এবার সেই পরিচিত ধারায় ফিরে যাওয়ার বদলে নিল হিমির বেছে নিয়েছেন এক সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ: ডাকাত, নৌকা, নববধূ, আর বঙ্গোপসাগরের পাড়ে জেগে ওঠা চরে টানা পাঁচ দিনের কঠোর শুটিং।
পরানের পরান: কমেডি-রোমান্সের বাইরে প্রথম পদক্ষেপ
রিয়াদ আশরাফ পরিচালিত নাটকটির নাম 'পরানের পরান'। গল্পের কেন্দ্রে বিয়ের পর নৌকা থেকে নববধূকে উঠিয়ে নেওয়া ডাকাত দল। সেই দলের এক সদস্য ও নববধূকে ঘিরেই আবর্তিত হয় পুরো কাহিনি। নিল আলমগীর এই নাটকে অভিনয় করছেন ডাকাত দলের সদস্য হিসেবে—কমেডি-রোমান্সের বাইরে এমন চরিত্রে তাঁর আগমন দর্শকদের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে বলেই অভিনেতার নিজের দাবি।
চর কুকরি-মুকরি: রোদ, তরঙ্গ আর নিরিবিলি
এই জুটির বেশিরভাগ নাটকের ধারণ সাধারণত ঢাকা, গাজীপুরের পূবাইল ও রাজধানীর আশপাশে সম্পন্ন হয়। কিন্তু 'পরানের পরান'-এর গল্পের প্রয়োজনে টিম ছুটে গিয়েছিল ভোলা জেলার চর কুকরি-মুকরি—বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত একটি নদী-সৃষ্ট চর। সেখানে টানা পাঁচ দিন ধরে শুটিং চলেছে। রোদের তীব্র আঘাতে কোনো মেকআপ রুম ছিল না, বিশ্রামের কোনো ব্যবস্থাও ছিল না। অভিনেতার শরীরই হয়ে গেল চরিত্রের প্রকৃত রূপ—রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বক ডাকাতের ভাবকে প্রাকৃতিকভাবেই উপস্থাপন করল।
বাংলাদেশের একদম শেষ প্রান্তে, সাগরের পাড়ে জেগে ওঠা চরে শুটিং করেছি। ভোলা শহর থেকেও অনেক দূরে। আমাদের যাওয়া-আসার পথটাই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। আবার গল্পের জন্য একদম নিরিবিলি জায়গা দরকার ছিল। গল্পটি দেখে দর্শক ভিন্ন রকম বিনোদন পাবেন।
এই কথাগুলো গত শনিবার নিল আলমগীর প্রথম আলোকে বলেছেন। চর কুকরি-মুকরিতে পৌঁছাতে হয় ট্রলার, স্পিডবোট বা লঞ্চের মাধ্যমে, আর পথের প্রতিটি মাইলই সমুদ্রের তরঙ্গের সঙ্গে লড়াই।
সাঁতার না জানার ভয়: হিমির আতঙ্ক
নিল আলমগীর সাঁতার জানেন, কিন্তু হিমি জানেন না। প্রতিদিন চরে শুটিংয়ে যাওয়ার জন্য স্পিডবোটে উঠতে হতো, আর হিমির কাছে এই যাত্রা ছিল আতঙ্কের নাম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন:
স্পিডবোটে উঠে সবার আগে লাইফ জ্যাকেট পরে নিতাম। আর সবাইকে বলতাম, কিছু হলে যেন আমাকে রক্ষা করে। সবাই জানত আমি সাঁতার জানি না। ঢাকার বাইরে শুটিং হলে আম্মু সঙ্গে যান। এবারও আম্মু সঙ্গে ছিল। ভাবতাম কোনো সমস্যা হলে আর যা-ই হোক আম্মু তো আমাকে খুঁজবেই। এমন ভাবনার মধ্যে দিয়ে সমুদ্র পার হয়ে শুটিং লোকেশনে যেতে হতো। শুকরিয়া আমরা ভালোভাবে শুটিং করে ফিরতে পেরেছি।
হিমি আরও জানান, ঢাকার বাইরে বরিশালসহ অনেক জায়গায় শুটিং করেছেন। কিন্তু এবারের অভিজ্ঞতা ছিল ভিন্ন মাত্রার। টানা পাঁচ দিন রোদে পুড়ে শেষ, ঠিকমতো ঘুম নেই, খাওয়া নেই। তাঁর শরীরের রংই বদলে গেছে।
কিন্তু এবার শুটিংয়ে গিয়ে মনে হয়েছে, কোনোমতে জীবন নিয়ে ফিরেছি, এতটাই ভয় ও আতঙ্ক নিয়ে বঙ্গোপসাগরের দ্বীপের মাঝে কাজ করেছি। ঠিকমতো ঘুম নেই, খাওয়া নেই। টানা পাঁচ দিন রোদে পুড়ে শেষ। শুটিং করতে গিয়ে এবার গায়ের রংই পরিবর্তন হয়ে গেছে।
দশ বছরের যাত্রা: জলে ভেজা রং থেকে সর্বাধিক দেখা নাটক
এই জুটির বর্ষ দশে পৌঁছে গেছে। হিমি এই মাইলফলককে হালকা হাসিতেই দেখেছেন। তিনি বলেন, তাঁদের প্রথম নাটকে যে সহকারী পরিচালক কাজ করেছিল, সেই ব্যক্তি এবার তাঁদের নিয়ে নতুন নাটক নির্মাণ করছেন।
আমি আর নিল ভাই অনেক দিন ধরেই কাজ করছি। ঘটনাক্রমে এবার আমাদের জুটির বর্ষ নিয়েই ভাবছিলাম। কারণ, আমাদের প্রথম নাটকে যে ছেলেটা সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিল, সে আমাদের নিয়ে নাটক নির্মাণ করছে। এটা নিয়ে নিল ভাইয়ের সঙ্গে বেশ মজা হলো। তখন আমি কত ছোট ছিলাম। সমস্ত মনে হয় সেদিন। অথচ ১০ বছর। তখন আমি কলেজ থেকে কলেজের ড্রেস পরে শুটিং ইউনিটে চলে যেতাম। সেই দিনগুলোতে আমরা জুটি হিসেবে একটু একটু করে তৈরি হয়েছি। যে কারণেই হতো দর্শকদের এত ভালোবাসা পাই। এ জন্য নিল ভাইয়ের কাছেও কৃতজ্ঞতা। তিনি সব সময় সহায়তা করেন।
জুটির প্রথম নাটক ছিল 'জলে ভেজা রং'। তবে প্রথম আলোচনা আসে 'বন্ধুর বউ' নাটকের মাধ্যমে। এরপর গরিব, সংসার আমার ভালোবাসে না, ব্রেক
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ন লয় হ ম র ভ ন?ন লয় হ ম র ভ ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ন লয় হ ম র ভ ন matter?ন লয় হ ম র ভ ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.