Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি কাজ, সেতুতে উঠতে বাঁশের সাঁকো

Published August 14, 2026 · Updated August 14, 2026 · By William Jones - banglaprabah.com

Foto : William Jones - banglaprabah.com

সেতু তৈরি হলেও সংযোগ সড়ক শেষ নয়, বাসিন্দারা বাঁশের সাঁকোতে উঠছেন

Banglaprabah.com – ন র ধ র ত সময় শ - পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিএলবাড়ী ইউনিয়নের দেওভোগ-দহপাড়া গ্রামে একটি সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলেও এখনো সংযোগ সড়ক তৈরি হয়নি। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা মূল সেতুতে উঠতে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করছেন। নির্ধারিত সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ায় এলাকাবাসীকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

প্রকল্পের বিবরণ ও সময়সীমা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন থেকে ১ কোটি ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫ টাকা ব্যয়ে এই সেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর সেতুটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ঠিকাদার সময় বাঁধিয়ে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে কাজ শুরু করেন। কাজ শেষ করার কথা ছিল ২০২৬ সালের ৩০ জুন। কিন্তু সময়সীমা পার হয়ে গেলেও সংযোগ সড়কের কাজ এখনো শেষ করা হয়নি।

ফরিদপুর উপজেলার পিআইও মো. মানিকুজ্জামান বলেন, দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি শিগগিরই কাজ শেষ করার আশ্বাস দিয়েছেন।

সেতুর গুরুত্ব ও স্থানীয় পরিস্থিতি

সরেজমিন দেখা যায়, গুমানী নদী থেকে একটি খাল চলে গেছে চলনবিলে। গুরুত্বপূর্ণ এই খালটি দুই পাশের ১০টি গ্রামকে আলাদা করেছে। দুই পাশের গ্রামগুলোর মধ্যে সংযোগ সৃষ্টি করতেই তৈরি করা হয়েছে সেতুটি। সেতুর পূর্ব পাশে দহপাড়া, লক্ষীকুন্ডা, বঙাবাড়িসহ কয়েকটি গ্রাম। এই পাশে আছে একটি মসজিদ। পশ্চিম পাশে দহপাড়া গ্রামের বাকি অংশ, দেওভোগসহ আরও কয়েকটি গ্রাম। আছে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এ কারণে দুই পাশের বাসিন্দাদের এপার-ওপার করতে হয়। কিন্তু সেতুটির কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় লোকজনকে বিপাকে পড়তে হয়েছে। এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়ার জন্য স্থানীয় লোকজন সেতুর দুই পাশে বাঁশের সাঁকোর ব্যবস্থা করেছেন। এই সাঁকো দিয়ে সেতু পার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ ও ঠিকাদারের দাবি

সেতুর পূর্বপাশের দহপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. ফজলুর রহমান জানান, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সেতুটি তৈরির কাজ শুরু হয়। কিন্তু দুই বছরেও কাজটি শেষ হয়নি। সেতু তৈরির আগে শক্ত বাঁশের সাঁকো ছিল। এখন সেই সাঁকোও নেই। এতে দুই পাড়ের বাসিন্দারা চরম দুর্ভাগ্যে পড়েছেন। বাসিন্দারা নিজেরাই সেতুতে ওঠানামার জন্য সাঁকো তৈরি করেছেন। সাঁকোর একদিকে অনেক উঁচু, অন্যদিকে নিচু। এতে সাঁকো দিয়ে সেতুতে উঠতে গিয়ে অনেকে পড়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয়ভাবে বালুসংকটের কারণে দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছিল, এ কারণে কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে।

সেতুর ঠিকাদার তানভীর আহম্মেদ (সাগর) এমন দাবি করেছেন। তিনি বলেন, আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে বাকি কাজ শেষ করার জন্য চেষ্টা চলছে।

ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানীন বলেন, ঠিকাদারকে সব কাজ দ্রুত শেষ করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর চূড়ান্ত বিল স্থগিত রাখা হবে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ন র ধ র ত সময় শ?

ন র ধ র ত সময় শ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ন র ধ র ত সময় শ matter?

ন র ধ র ত সময় শ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.