Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল আগেই, মামলাও হয়েছিল, এখন গেল ৯ প্রাণ

Published August 15, 2026 · Updated August 15, 2026 · By Linda Anderson - banglaprabah.com

Foto : Linda Anderson - banglaprabah.com

মামলার এক মাস পরই ৯ শ্রমিকের মৃত্যু: নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল আগেই

Banglaprabah.com – ন র পত ত র ঘ টত - চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিতে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে একসাথে নয়জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে প্রশ্ন উঠছে, সরকারি পরিদর্শনে যেসব নিরাপত্তার ঘাটতি শনাক্ত করা হয়েছিল এবং মামলাও করা হয়েছিল, তবুও কেন টনক নড়ল না।

ছয় মাস আগেই ধরা পড়ে অনিয়ম

ছয় মাস আগে সরকারি পরিদর্শন সংস্থা ফেরদৌস স্টিলে বিভিন্ন অনিয়ম ধরে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন করা হতো না। ঝুঁকি মূল্যায়নের প্রতিবেদন দেওয়া হয়নি। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি কাজ করানো হলেও ওভারটাইমের টাকা দেওয়া হয়নি। এইসব কারণে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর একাধিকবার নোটিশ দেয়। কিন্তু যথাযথ জবাব না পাওয়ায় গত জুলাই মাসে শ্রম আদালতে মামলা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটিতে নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল। একাধিক শর্ত তারা পূরণ করতে পারেনি। নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং শ্রমিকদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে না দেওয়ার কারণে আমরা মামলা করেছি।

মামলার বাদী হিসেবে উপস্থিত আছেন চট্টগ্রাম কার্যালয়ের শ্রম পরিদর্শক শাহেদ পারভেজ। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ফেরদৌস ওয়াহিদ ও ব্যবস্থাপক মো. ইউসুফ আলীকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি এখন বিচারাধীন।

জাহাজের ব্যালাস্ট এলাকা থেকে গ্যাস বের হয়

দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক এস এম সাখাওয়াত হোসেন জানান, জাহাজের কার্গো ট্যাংকের পাশে থাকা ব্যালাস্ট এলাকা থেকে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস বেরিয়ে পড়ে। জাহাজের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এই অংশে পানি ধারণ করা হয়। বিষাক্ত ওই গ্যাসে আক্রান্ত হওয়ায় শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছে।

এমটি রাসি নামের জাহাজটিতে ৩০ হাজার ৭৭০ টন ওজনের স্ক্র্যাপ ছিল। জাহাজটি আগে এলএনজি পরিবহন করত। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে পরিবেশ অধিদপ্তরের ৫২৯তম সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে ছাঁপত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

নিহত শ্রমিকদের তালিকা

দুর্ঘটনায় নিহত নয়জন শ্রমিক হলেন: সীতাকুণ্ডের আকবর আলীর হাট এলাকার দুই ভাই মোহাম্মদ মনসুর (৫৫) ও মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন (৫১), পাবনার সুজানগরের ছৈয়দপুর এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল আলীম (৩৬), গাইবান্ধা সদরের উত্তর কুপতলা এলাকার মোহাম্মদ রানা মিঞা (২৩), সীতাকুণ্ডের খাদেমপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমান (৫১), ভাটিয়ারীর পলাশ জলদাস (৩৫), সানি জলদাস (২৩) ও মতিউর রহমান (১৯) এবং গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের মোহাম্মদ খোকন মিঞা (২৩)।

তদন্ত কমিটি গঠন

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান জানান, সর্বশেষ দুর্ঘটনার কারণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোথায় ঘাটতি ছিল, তা খুঁজে বের করতে ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কার গাফিলতি ছিল, কোথায় নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন—এসব বিষয় তদন্তে দেখা হবে।

একটি কারখানায় নিরাপত্তার ঘাটতি সরকারি পরিদর্শনেই ধরা পড়ল, নোটিশ দেওয়া হলো, এমনকি মামলা পর্যন্ত হলো; তারপরও টনক নড়ল না। সেখানে ৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আগেও সেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, ঘাটতি শনাক্ত হওয়ার পর সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করল কে? শুধু নোটিশ ও মামলা করলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হয় না।

উল্লেখিত মন্তব্যটি করেছেন জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের আহ্বায়ক তপন দত্ত।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ন র পত ত র ঘ টত?

ন র পত ত র ঘ টত is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ন র পত ত র ঘ টত matter?

ন র পত ত র ঘ টত matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.