ডায়মন্ড লাইফের ৬০% শেয়ার কেনা হয়েছে শ্রীলঙ্কার সফটলজিক লাইফের হাতে
দ শ য় ড য়মন ড ল – বাংলাদেশের জীবনবিমা খাতে সফটলজিক লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি আগের দুটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পর তৃতীয় বিদেশি সংস্থা হিসেবে প্রবেশ করেছে। দেশের প্রথম বিদেশি অধিগ্রহণ হিসেবে ডায়মন্ড লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ার সংক্রান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যে কোম্পানি আগে মেটলাইফ ও এলআইসি এসেছিল, তার পর এখন সফটলজিক হাতে আসে।
সফটলজিক লাইফ বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। সেই সঙ্গে তাদের উদ্দেশ্য হলো কাগজনির্ভর প্রক্রিয়া কমানো ও গ্রাহক পরিবেশে স্বচ্ছতা ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা। কর্মকর্তাদের বিবৃতি অনুযায়ী, ডায়মন্ড লাইফের শেয়ার কেনার প্রক্রিয়া প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সম্পূর্ণ হয়েছে।
“আমরা বাংলাদেশে জীবনবিমা খাতে ইতিবাচক ভূমিকা পালনের জন্য মনোনিবেশ করতে চাই।”
বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৩ কোটি টাকার বেশি মূল্যে ডায়মন্ড লাইফের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ শেয়ার কিনে নিয়েছে সফটলজিক। কোম্পানিটি এই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণে এখন দুই সপ্তাহ আগে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ডায়মন্ড লাইফ ২০১৪ সালে কার্যক্রম শুরু করে। এর অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৮ কোটি টাকা।
বিক্রির কারণ
প্রতিষ্ঠানটি আগের দুই সপ্তাহে কেনাবেচার প্রক্রিয়া শেষ করেছে বলে ডায়মন্ড লাইফের চেয়ারম্যান রিয়াদ মাহমুদ জানায়, তারা এই কর্মক্ষমতার পরিবর্তে অন্য ব্যবসায়ে মনোযোগী হয়েছে। শ্রীলঙ্কার সফটলজিক কোম্পানির ভালো প্রশংসা করেন তিনি।
“শ্রীলঙ্কার কোম্পানিটি ভালো। আর আমরা আসলে অন্য ব্যবসায়ে মনোযোগী।”
সফটলজিক লাইফ আগের এক দশকে শ্রীলঙ্কার জীবনবিমা খাতে সফল হয়েছে। দেশটির গড় প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশ হলে তাদের প্রিমিয়াম আয়ের প্রবৃদ্ধি ২৬ শতাংশ। গত চার বছরে কর-পূর্ব মুনাফা, কর-পরবর্তী মুনাফা ও শেয়ারপ্রতি আয় দ্বিগুণ হয়েছে। কোম্পানিটি কম মূলধনের বিপরীতে মুনাফা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
সামগ্রিক উন্নয়নের উদ্দেশ্য
এই অধিগ্রহণের মাধ্যমে সফটলজিক গ্রাহকদের জন্য নতুন বিমা পণ্য তৈরি করতে চায় এবং দ্রুত দাবি নিষ্পত্তির সময় কমানোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করবে। আইডিআরএ সংস্থার সূত্র অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কায় অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে সেবার মান উন্নয়ন ও গ্রাহক আস্থা বৃদ্ধি করা হবে।
