Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

দুই শিশুসন্তানকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে নিখোঁজের নাটক সাজান বাবা

Published August 12, 2026 · Updated August 12, 2026 · By Mark Gonzalez - banglaprabah.com

Foto : Mark Gonzalez - banglaprabah.com

পারিবারিক কলহে সন্তানদের হাওরে ফেলে হত্যা, বাবার নাটকীয় আটক

Banglaprabah.com – দ ই শ শ সন ত নক - সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার এক পিতা তার দুই শিশু সন্তানকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরের পানিতে ফেলে দিয়েছেন। এই ঘটনায় ওই বাবা আটক হয়েছেন। পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, সন্তানদের দুষ্টুমি এবং বউ-শাশুড়ির মধ্যে ঝগড়া নিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন।

আটক অভিযুক্ত ও তার পরিবার

আটক ব্যক্তি কামরুল ইসলাম (৩০)। তার বাড়ি দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া মধুপুর গ্রামে। আটকের সময় তিনি ওই গ্রামেই ছিলেন। কামরুল কৃষিকাজের পাশাপাশি এলাকা ফেরি করে জিনিসপত্র বিক্রি করতেন। তবে তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো নয়।

কামরুলের চার সন্তান রয়েছে। ছোটদের দুষ্টুমি করলে মা আফরোজা বেগম তাদের মারধর করতেন। এই নিয়ে কামরুলের মা ফুলজান বিবির সাথে প্রায়ই ঝগড়া হতো। গত শুক্রবার সকালেও বাচ্চাদের দুষ্টুমি ও মারধরের ঘটনায় বউ-শাশুড়ির মধ্যে তুমুল কলহ হয়।

ঘটনার বিস্তারিত

জুমার নামাজ শেষে কামরুল বাড়িতে ফিরলে মা তাকে জানান যে আফরোজা তাকে মারধর করেছেন। এতে স্ত্রীর সাথে তার কথা-কাটাকাটি হয়। পরে কামরুল আফরোজাকে ভাত দিতে বললে তিনি গালাগাল করেন। এতে কামরুল চরম ক্ষুব্ধ হন।

বিকেলে কাউকে না জানিয়ে কামরুল মুহাদ্দিস ও তুলনাকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। প্রথমে তিনি সিলেটে যান। সেখান থেকে দুই দিন পর গত রোববার সুনামগঞ্জের পথে ফিরতে ফিরতে গাঢ়িতে সন্তানদের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দেন।

সন্ধ্যায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার বরকাপন এলাকায় এসে গাড়ি থেকে নেমে প্রথমে তুলনাকে ঘুমন্ত অবস্থায় হাওরে ফেলে দেন। এরপর মুহাদ্দিসকে নিয়ে সদর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় যান। সেখানেও হাওরে তাকে ফেলে দেন।

লাশ উদ্ধার ও আটক

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে একই হাওরের বরকাপন এলাকায় তুলনার লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। আজ বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দেখার হাওরের গোবিন্দপুর এলাকায় মুহাদ্দিসের লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে জানায়।

আজ দুপুরে দিরাই থানা-পুলিশ পেরুয়া গ্রামে গিয়ে কামরুল ইসলামের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলে। এ সময় তাঁর কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তিনি পুলিশের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলেন।

রাতে বাড়িতে গিয়ে কামরুল এলাকার প্রচার করেন যে তাঁর দুই সন্তানকে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি থানায় জিডিও করেন। স্থানীয় লোকজন তখন দুই শিশুর সন্ধান চেয়ে ফেসবুকে প্রচার করেন।

পুলিশের তদন্ত ও মামলার প্রস্তুতি

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, দুই শিশুর লাশ সদর থানায় আছে। লাশ দুটির ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

দিরাই থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, পারিবারিক কলহের জেরেই সন্তানদের হত্যা করেছেন বলে কামরুল নামের ওই ব্যক্তি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হবে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is দ ই শ শ সন ত নক?

দ ই শ শ সন ত নক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does দ ই শ শ সন ত নক matter?

দ ই শ শ সন ত নক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.