ত নজন র হ ত প স চট্টগ্রামের রাউজান ইউনিয়নে চৌমুহনী বাজার ব্যসত ছিল
ত নজন র হ ত প স – গতকাল শনিবার বেলা দেড়টার দিকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ পিয়ারুল হক চৌধুরীর বড় ভাই মাসুদুল হক চৌধুরীকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি চৌমুহনী বাজারে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আসার পর ওষুধের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অপর অটোরিকশা থেকে নেমে আসা সন্ত্রাসীদের হাতে তিনজন পিস্তল এবং দুজন শটগান ছিল। গুলি ছুড়ার পর তাঁর মাথার মগজ বেরিয়ে যায়।
হত্যার পর সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি ছুড়তে থাকে। কয়েকজন চিৎকার করে বলেন— ‘যাতে কাছে না আসে, দোকান বন্ধ করে চলে যাও’। ঘটনার পরপরই বাজারের অধিকাংশ দোকানি বন্ধ করে চলে যায়। এখনও কিছু দোকান খোলা ছিল কিন্তু সন্ধ্যার পর তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে
বাজারে সিসি ক্যামেরা রয়েছে বলে জানা গেছে। তারপরও সন্ত্রাসীরা মানুষ হত্যা করতে দ্বিধা করেনি। ব্যবসায়ী আবদুল মাবুদ বলেন, ‘দিনদুপুরে এত গোলাগুলি আগে দেখিনি। ত নজন র হ ত প স নিহত মাসুদ হত্যার পর বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সেই সময় মানুষ মাথার কাছে দাঁড়াতে ভীত হয়েছে।’
নিহত মাসুদুলের লাশ গতকাল বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় মামলা চলছে এবং নিহতের পরিবারকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। বাজারে প্রায় সব দোকানপাট বন্ধ করে চলে গেছে।
রাউজানে পূর্বেও আতঙ্ক ছিল
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মাসুদ হত্যায় অংশ নেওয়া তিনজন পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। তাঁরা সবাই রাউজানের বাসিন্দা। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
পুলিশ জানিয়েছে, খুনিদের দলীয় পরিচয় আমরা নিশ্চিত হইনি। তারা বেতাগী থেকে এসে রাউজানের কদলপুরের পাহাড়ি পথ দিয়ে পালিয়ে গেছে। আগেও সূত্রে জানা গেছে যে দেড় মাস আগে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। তখন মুহাম্মদ নাসির নামে এক যুবদলকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।
ত নজন র হ ত প স নিহত মাসুদুলের বাড়ি থেকে আগে যাওয়ার পর সন্ত্রাসীরা বেতাগী এবং কদলপুর এলাকায় ছিল। এই ঘটনার পর কয়েকজন ব্যবসায়ী দোকানপাট বন্ধ করে বাড়ি চলে গেছেন। বর্তমানে বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড
