Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় দুই সিটি করপোরেশনের নতুন উদ্যোগ, সমন্বয়ে ঘাটতি

Published August 20, 2026 · Updated August 20, 2026 · By James Jackson - banglaprabah.com

Foto : James Jackson - banglaprabah.com

ডেঙ্গু মোকাবিলায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নতুন পরিকল্পনা — শুরুতেই দেখা দিল সমন্বয়ের ফাটল

রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে

Banglaprabah.com – ড ঙ গ ন য়ন ত রণ - দেশজুড়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিল ১৫ হাজার ৩১০-এ। মাত্র ১৮ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ১৮ আগস্টের হিসাবে, সেই সংখ্যা ছুঁয়ে গিয়েছে ২৫ হাজার ৬০১। একই সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৫৪ থেকে ৭৪-এ। গণিতটা স্পষ্ট: ১৮ দিনে আক্রান্তের হার বেড়েছে প্রায় ৬৭ শতাংশ।

নতুন উদ্যোগের মূল ধারণা

ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ার পর তাঁর বাসস্থান ও আশেপাশে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) একটি নতুন কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই উদ্যোগের ভিত্তি হিসেবে ডেঙ্গু রোগী বেশি ভর্তি হয় এমন হাসপাতাল থেকে নিয়মিত রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে করপোরেশনের কর্মীদের।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে তথ্য সংগ্রহের ফাঁক

ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ডেঙ্গু রোগীদের তথ্য সংগ্রহ চলছে। তবে ১৭ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা তানজিলা আক্তার ও আমিনুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা গেলেও তাঁরা ফোন ধরেননি। নুর হোসাইন নামের আরেক কর্মীর ফোন সম্পূর্ণ বন্ধ পাওয়া যায়।

হাসপাতালের চারতলায় ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পুরুষদের ওয়ার্ড ৪২০ ও নারীদের ওয়ার্ড ৪২২-এ গিয়ে নার্সদের সঙ্গে আলাপে জানা যায়, ৪২০ নম্বর ওয়ার্ডে করপোরেশনের কর্মীদের সর্বশেষ দেখা গেছে ৯ ও 10 আগস্ট।

৪২২ নম্বর ওয়ার্ডের নার্সিং ইনচার্জ ফাতেমা শিকদার জানান, তিনি সর্বশেষ ১২ ও ১৩ আগস্ট করপোরেশনের কর্মীদের তথ্য সংগ্রহ করতে দেখেছেন। ১৬ ও ১৭ আগস্ট কেউ তথ্য নিতে আসেননি।

১৪ ও ১৫ আগস্ট রাতে ওই ওয়ার্ডের সহকারী জ্যোৎস্না বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনিও একই কথা বলেন — ওই দুই দিন কেউ তথ্য সংগ্রহে উপস্থিত ছিলেননি।

শিশু হাসপাতালেও একই চিত্র

১৭ আগস্ট সকালে শ্যামলীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে গিয়েও একই অবস্থা চোখে পড়ে। তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন রাকিবুল ইসলাম, রাসেল রানা ও রূপম — তিনজনের কেউই সেদিন হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না।

বেলা পৌনে ১১টার দিকে রাকিবুল ইসলামকে ফোনে পাওয়া গেলে তিনি জানান, তখন তিনি মশা নিধনের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কাজ শেষে দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালে যাওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন বলে জানান।

আগের দিনগুলোর তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে রাকিবুল বলেন, ১৭ আগস্টই তাঁর প্রথমবার হাসপাতালে যাওয়ার দিন। আগে অন্য কেউ তথ্য নিয়েছেন কি না, তা তিনি জানেন না।

পরদিন ১৮ আগস্ট বেলা একটার দিকে আবার হাসপাতালে গেলেও তাঁদের কেউ পাওয়া যায়নি। ডেঙ্গু কর্নারের নার্সিং ইনচার্জ নিপা খাতুন নিশ্চিত করেন, সেদিন তথ্য সংগ্রহে কেউ আসেননি।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পরদিনের পরিস্থিতি

১৮ আগস্টে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালেও তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রাথমিক উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে দুপুরের পর তিন কর্মীকে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।

তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা তানজিলা আক্তার প্রথম আলোকে ফোনে জানান, ১৭ আগস্ট সকালে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে জরুরি সভা থাকায় হাসপাতালে যাওয়া সম্ভব হয়নি। সভা শেষে দুপুরের পর হাসপাতালে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। আগের দিনও একই কারণে হাসপাতালে যাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

তানজিলা দাবি করেন, ১৪ ও ১৫ আগস্ট তাঁরা তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন। তবে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের নার্সরা তাঁদের দেখেননি — এই তথ্য জানানো হলে তানজিলা বলেন, তাঁরা প্রথমে পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলার মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।

কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা

ডিএনসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মাহমুদা আলী জানান, শিশু হাসপাতালে সপ্তাহে তিন দিন পরপর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সোমবার তথ্য সংগ্রহের দিন ছিল, তাই মঙ্গলবার কেউ যাননি।

প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরুল কায়স চৌধুরী বলেন, ১ আগস্ট থেকে ১০টি নির্বাচিত হাসপাতালে প্রতিনিধি পাঠিয়ে ডেঙ্গু রোগীদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত চারটি হাসপাতালে কার্যক্রম সক্রিয়। শুরুতে তিন দিন পরপর প্রতিনিধি পাঠানোর সিদ্ধান্ত ছিল, তবে বেশি রোগী ভর্তি হয় এমন হাসপাতালে এখন প্রতিদিন প্রতিনিধি পাঠানো হচ্ছে।

বিশেষায়িত ও নিবেদিত জনবল না থাকায় শুরুতে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। উদ্যোগটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে; অভিজ্ঞতা ও সমন্বয় ধীরে ধীরে গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিএসসিসির তদারকি কমিটি — কাগজে-কলমে

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে একসঙ্গে পরিচালনার লক্ষ্যে ১০টি অঞ্চলে তদারকি কমিটি গঠন করেছে। সদস্যদের প্রতিদিন সকালে মাঠে গিয়ে কাজ তদারক করার কথা থাকলেও বাস্তবে নিয়মিত সেটা

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ড ঙ গ ন য়ন ত রণ?

ড ঙ গ ন য়ন ত রণ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ড ঙ গ ন য়ন ত রণ matter?

ড ঙ গ ন য়ন ত রণ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.