Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ঠোঁট নিয়ে বিতর্ক, সেই কিশোরী ২৯ বছর বয়সেই ৮ হাজার কোটি টাকার মালিক

Published August 10, 2026 · Updated August 10, 2026 · By Jennifer Rodriguez - banglaprabah.com

Foto : Jennifer Rodriguez - banglaprabah.com

কাইলি জেনারের জীবন ও ব্যবসার গল্প: কিশোরী থেকে কোটিপতি

Banglaprabah.com – ঠ ট ন য় ব তর ক - কাইলি জেনারের নাম শুধু একজন রিয়েলিটি শোর তারকার নয়, বরং একটি বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের প্রতীক। গত এক দশকে তিনি নিজের নামকে ব্যবসায়িক সাফল্যের চাবিকাঠিতে পরিণত করেছেন। ১০ আগস্ট ২৯ বছর বয়সে পা রাখার পরও তাঁর জীবন এখনও আলোচনার কেন্দ্রে। বেভারলি হিলসের বাসায় 'প্রিন্সেস কিটি' থিমের জন্মদিনের পার্টিতে গোলাপি পোশাকে হাজির হন তিনি। কিম কার্ডাশিয়ান, খোলো কার্ডাশিয়ান, কেন্ডাল জেনার ও হেইলি বিবারসহ ঘনিষ্ঠরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তবে টিমোথি শ্যালামে সেখানে ছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ব্যবসার শুরু থেকে বর্তমান অবস্থান

কাইলির ব্যবসায়িক যাত্রার শুরু হয় 'কিপিং আপ উইথ দ্য কার্ডাশিয়ানস' টেলিভিশন শোর মাধ্যমে। কিন্তু তিনি শুধু টিভির মুখ হয়ে থাকতে চাননি। ২০১৫ সালে নিজের জমাকৃত ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার দিয়ে তিনি চালু করেন 'কাইলি কসমেটিকস'। লিপ লাইনার ও লিপস্টিকের জুটি হিসেবে প্রথম পণ্যটি ছিল লিপ কিট। অল্প সময়ের মধ্যেই প্রথম ১৫ হাজার কিট বিক্রি হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিশাল অনুসারী সংখ্যা সরাসরি ক্রেতায় পরিণত হয়।

কাইলির ব্যবসার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তাঁর নিজের উপস্থিতি। ইনস্টাগ্রামে নিজের ছবি, মেকআপের ভিডিও এবং নতুন পণ্যের প্রচারণা—সবকিছুই হয়ে ওঠে বিপণনের অংশ। এই মডেল পরে অসংখ্য ইনফ্লুয়েন্সার ও তারকা অনুসরণ করেছেন।

বিলিওনিয়ার বিতর্ক ও সম্পদের হিসাব

কাইলির ব্যবসায়িক জীবনের সবচেয়ে বড় মোড় আসে ২০২০ সালে। সে বছর সৌন্দর্যপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ৫১ শতাংশ অংশীদারত্ব কিনে নেন ৬০০ মিলিয়ন ডলারে। এই চুক্তির পর কাইলির হাতে আসে বিপুল অর্থ। ফোর্বসের হিসাবে, চুক্তি থেকে কর দেওয়ার আগে তাঁর আয় ছিল আনুমানিক ৫৪০ মিলিয়ন ডলার। একই সঙ্গে তিনি কোম্পানির প্রায় ৪৪ শতাংশ মালিকানা ধরে রাখেন।

২০১৯ সালে ফোর্বস তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী 'সেল মেড বিলিওনিয়ার' হিসেবে পরিচিত করেছিল। কিন্তু পরের বছর সেই হিসাবই প্রশ্নের মুখে পড়ে।

২০২০ সালে মার্কিন ব্যবসাবিষয়ক সাময়িকীটি জানায়, কাইলি কসমেটিকসের প্রকৃত বিক্রি ও ব্যবসার আকার পরিবারটির দেওয়া হিসাবের চেয়ে অনেক ছোট ছিল। প্রতিষ্ঠানটির নথিপত্র বিশ্লেষণ করে ম্যাগাজিনটি কাইলির সম্পদের হিসাব নতুন করে করে এবং জানায়, তিনি বিলিওনিয়ার নন। সে সময় ফোর্বস তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৯০০ মিলিয়ন ডলারের সামান্য কম। কাইলি অবশ্য অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, তিনি কখনো 'বিলিওনিয়ার' তকমা পাওয়ার জন্য মিথ্যা বলেননি।

ফোর্বসের সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, কাইলি জেনারের সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৬৭০ মিলিয়ন ডলার (৮ হাজার কোটি টাকার বেশি)।

ব্যবসার সম্প্রসারণ ও ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা

শুধু কসমেটিকস নয়, কাইলির ব্যবসার তালিকা এখন অনেক বড়। কাইলি কসমেটিকসের পাশাপাশি তিনি শুরু করেছেন ত্বক পরিচর্যার ব্র্যান্ড 'কাইলি স্কিন'। এ ছাড়া আছে পানীয় ও পোশাকের ব্র্যান্ড। ২০২৩ সালে চালু হওয়া পোশাকের ব্র্যান্ড তিনি সাম্প্রতিক সময়ে নতুনভাবে সাজাচ্ছেন। ২০২৬ সালে ব্র্যান্ডটির ব্যবসায়িক মডেল ও নকশার ধরন বদলে নতুনভাবে বাজারে ফিরেছেন কাইলি। ভোগ সাময়িকী জানিয়েছে, এবার দ্রুত বদলে যাওয়া ট্রেন্ডের পেছনে না ছুটে ব্র্যান্ডটিকে আরও স্থায়ী ও নিজস্ব পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

ব্যবসায় কাইলির ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততাও বেশ গভীর। ২০২৬ সালের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, পণ্যের নমুনা দেখা থেকে শুরু করে অনুপ্রেরণার বোর্ড তৈরি—ব্যবসার বিভিন্ন পর্যায়েই তিনি যুক্ত থাকেন। ব্র্যান্ডটির একটি সহযোগী কালেকশন প্রথম ঘণ্টাতেই ১০ লাখ ডলারের বেশি বিক্রি করেছিল বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ঠোঁটের গল্প থেকে 'কাইলি জেনার চ্যালেঞ্জ'

কাইলিকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা অবশ্য ব্যবসা শুরুর আগেই। কিশোরী বয়সে তাঁর ঠোঁট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন, হঠাৎ করে তাঁর ঠোঁট এত বদলে গেল কীভাবে? প্রথম দিকে কাইলি বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও ২০১৫ সালে তিনি স্বীকার করেন, ঠোঁটে অস্থায়ী ফিলার নিয়েছেন।

তিনি বলেছিলেন, এটি তাঁর নিজের একটি অনিরাপত্তার জায়গা ছিল এবং তিনি সেটি পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন।

এই স্বীকারোক্তিই পরে ব্যবসার সুযোগ হয়ে দাঁড়ায়। কাইলির ঠোঁট হয়ে ওঠে তাঁর ব্র্যান্ডের পরিচয়ের অংশ। আর সেই চেহারা অনুকরণ করতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় 'কাইলি জেনার চ্যালেঞ্জ'। মানুষ অদ্ভুত সব উপায়ে ঠোঁট ফুলিয়ে তাঁর মতো দেখানোর চেষ্টা করছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায় যে কাইলিকেই ভক্তদের সতর্ক করতে হয়েছিল—তাকে অনুকরণ করার জন্য যেন কেউ ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতি ব্যবহার না করে।

সৌন্দর্যের মানদণ্ড তৈরির অভিযোগ এখানেই কাইলির গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিশোরী বয়সে নিজের চেহারা নিয়ে অনিশ্চয়তাকে পুঁজি করে তিনি তৈরি করেছিলেন এক বিশাল ব্যবসা; আবার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই সৌন্দর্যের সংজ্ঞা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ঠ ট ন য় ব তর ক?

ঠ ট ন য় ব তর ক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ঠ ট ন য় ব তর ক matter?

ঠ ট ন য় ব তর ক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.