বিশ্ব ট্রাম্পের কূটনৈতিক ব্যর্থতার শিকার হয়েছে
ট র ম প র ক টন – বিশ্বে এখন কূটনীতিক প্রতিভা সম্পন্ন রাষ্ট্রনায়কদের সাথে অনেক নির্বোধ বা অপদার্থ ব্যক্তি আছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাবে চলছে প্রায় অনেকগুলো সংঘাত এবং যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে তিনি যে কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে আসেননি, সে বিষয়ে সন্দেহ থাকার কোনো কারণ নেই। তিনি কেবল অক্ষম হয়েছেন গোটা বিশ্বের স্থায়ী সমাধান খুঁজতে।
উদাহরণ হিসেবে ইউক্রেনের যুদ্ধ
ট্রাম্প আকাশছাই ভাষায় ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি একদিনের মধ্যে ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করতে পারবেন। কিন্তু কার্যত তা পাঁচ বছর বাকি রইল। ইয়েমেনে বিশ্বাস ভুলে চলছে অনেক সংঘাতের মুখোমুখি হয়েছে এবং তার চুক্তি করার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি জেলেনস্কিকে বলেছিলেন যে তাঁর হাতে কোনো কার্ড নেই।
ট্রাম্পের সংঘাত সমাধানে ক্ষমতার কোনো পরিমাণ পাওয়া যায়নি। রাশিয়ার প্রতারণা ও ইউক্রেনের প্রতিরোধের মধ্যে তিনি নিজের বিজয়ের আকামকতা দিয়ে ছোট করে দেখেছেন। হরমুজ প্রণালি নৌ চলাচলের জন্য এখনো প্রায় অচল। দায়সারা শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে আছে এবং বিশ্ব অর্থনীতি ধুঁকছে।
যুদ্ধবিরতির গ্রাস করা আরও বেশি শক্ত হয়েছে
গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর অবৈধ হামলা চালানোর পর ট্রাম্প এপ্রিল মাসে একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। অথচ তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। সুদানে কোনো যুদ্ধবিরতির চুক্তি করা তো দূরের কথা, শত্রুতা থামানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ট্রাম্প বিশ্ব কাঁপানোর সাফল্যের দাবি করেছিলেন। কিন্তু হামাসকে নিরস্ত্র করার তাঁর ২০ দফার পরিকল্পনা দ্রুতই মুখ থুবড়ে পড়েছে। বাস্তবতা হলো ফিলিস্তিনিদের ক্রমবর্ধমান অবর্ণনীয় ভোগান্তি ও ইসরায়েলের আগ্রাসন চলছেই।
বিশ্ব এখন অনেক সংঘাতে পড়েছে যেখানে মানুষের জীবন হারাচ্ছে এবং বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। কূটনীতিক ব্যর্থতা এবং যুদ্ধবিরতির গ্রাস করার কারণে ট্রাম্পের নেতৃত্বে প্রায় অনেক সংঘাত বিশ্বের বৃহত্তর সমস্যার প্রতিফলন।
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন সাংবিধানিক সংঘাতের মূল কারণ হলো ট্রাম্পের কূটনৈতিক রেকর্ড। তিনি এত জোরে আসেন যে অনেক সংঘাত তার শিকা�
