জুলাই যোদ্ধা মিজানুর ব্যস্ত জীবন থেকে এখন পরনির্ভরশীল জীবনে
Banglaprabah.com – জ ল ই য দ ধ ম – তিনি গত দুই বছর আগে শহরের কাছে ব্যস্ত জীবন কাটাচ্ছিলেন। নিজের জীবনে কিছু বেশি আরাম করতে ইচ্ছা হতো। কিন্তু এখন অফুরন্ত অবসর ক্লান্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহরে আসতে হলে সঙ্গী লাগে। প্রতিদিন বাড়ির সামনে হাঁটাহাঁটি ছাড়া আর তেমন কিছু করার নেই।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মো. মিজানুর রহমান (৪২) শহীদ হন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিকেলে আনন্দমিছিলে যাওয়ার সময় তিনি মিরপুর মডেল থানা থেকে পুলিশের গুলি করে আহত হন। অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই শহীদদের এবং আহত যোদ্ধাদের তালিকাভুক্ত করেছে। জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী এই অভ্যুত্থানে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৮৬৫ জনের ওপরে। আহত যোদ্ধার সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে তিনি শাহবাগে সংগ্রাম ঘটনার জন্য জড়ো হন। সরকার পতনের পর বেলা সাড়ে তিনটার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর থেকে গণভবনের দিকে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। মিরপুর মডেল থানার বন্ধ ফটকে ধাক্কা দিতে দিতে লোকজন পিলারসহ ভেঙে ফেলে তিনি দৌড়ে কয়েকজনের সঙ্গে একটি গাছের আড়ালে বসেন। হুট করে তাঁর মাথা এবং চোখ রক্তে ভেসে যায়। ওই সময় তিনি চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছেন না।
আর্তনাদ করে আশপাশের মানুষের কাছে সাহায্য চান। কিন্তু প্রাণভয়ে ছোটাছুটি করতে থাকা লোকজন সাড়া দিচ্ছিলেন না। মিজানুরের বাবা আলতাফ হোসেনের সঙ্গে কথা হয় তাঁর বাবা আলতাফ হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ছেলে চোখে দেখে না ভাবলেই মনে কষ্ট লাগে।
তিনি ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএসে একজন প্রকৌশলীর ব্যক্তিগত গাড়ির চালক ছিলেন। মাসে তাঁর বেতন ২৪ হাজার টাকা ছিল, এবং তাঁর অফিসের কিছু কাজ করে দেওয়ার বিনিময়ে মাসে আরও ৫-৬ হাজার টাকা পান। গাড়ি চালক মিজানুর ডিওএইচএসে কয়েকজন মিলে একটি রুম ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সে দিনে তিনি আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিকেলে মিরপুর মডেল থানা থেকে গুলি করে আহত হন।
তাঁর স্ত্রী ও গাড়ির মালিককে মুঠোফোন থেকে নম্বর নিয়ে কল করেন। তিনি একটি রিকশায় উঠিয়ে কাছে কাছের আলোক হাসপাতালে নিয়ে য

