জন্মের পর কন্যাশিশুর যে ৯টি সমস্যা দেখলে ঘাবড়াবেন না
জন ম র পর কন য শ – নবজাতক কন্যাশিশুর মায়াবী উপস্থিতি এবং উচ্ছল হাসি পরিবারকে আনন্দে ভরিয়ে রাখে। তারা মায়া ও প্রশান্তির এক নির্মল ছায়া হিসেবে বিবেচিত হয়। অনেক মাতামাতি প্রাথমিক সমস্যা সম্পর্কে অজানা থাকে যা অসামান্য বলে মনে হয়। প্রেগন্যান্সি ও প্যারেন্টিং–বিষয়ক আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘মামজংশন’ এর একটি নিবন্ধে উঠে এসেছে এমন কিছু তথ্য, যা কন্যাশিশুর অভিভাবকদের আগ্রহ করে।
নবজাতক কন্যার মাসিক সমস্যা
জন্মের প্রথম সপ্তাহে কন্যাশিশুর ডায়াপারে রক্তের ফোঁটা দেখে অনেকে আতঙ্কিত হন। কিন্তু এটি ক্লিনিক্যালি স্বাভাবিক ঘটনা। এর কারণ হলো গর্ভে থাকার সময় ইস্ট্রোজেন হরমোন মেয়ে শিশুকে প্রভাবিত করে। তারপর জন্মের পর হরমোন মাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ার কারণে এটি ঘটে। প্রায় ৫ শতাংশ নবজাতক মেয়ে এ ধরনের ঘটনা সামনে পেতে পারে।
এ ঘটনায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কয়েক দিনের মধ্যে এই ‘ফলস মিন্স’ বা নকল ঋতুস্রাব নিজে থেকে ঠিক হয়ে যায়। যদিও কন্যার অভিভাবকদের মাসিক সমস্যার কথা শুনে ভয় পাওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু এটি কোনো আশঙ্কা করার কারণ হয় না।
মাতৃগর্ভে সময় এবং প্রাপ্তবয়স্ক মস্তিষ্কের বিকাশ
বিভিন্ন গবেষণার প্রমাণ অনুযায়ী, মানুষের মস্তিষ্ক দুই গোলার্ধে বিভক্ত। ছেলে ও মেয়ে শিশুদের মাথার রূপ আলাদা। মেয়ে শিশুর মস্তিষ্ক কিছুটা বেশি প্রতিসম হয়। ছেলে শিশুর মস্তিষ্ক তুলনামূলক অপ্রতিসম। যদিও শিশুর কত দিন মাতৃগর্ভে থাকবে, তা গবেষণার ক্ষেত্রে জন্মগতি এবং মায়ের শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে।
গর্ভাবস্থায় ইস্ট্রোজেনসহ কিছু হরমোন শিশুর ত্বকের গ্রন্থি সক্রিয় করে। জন্মের পর এই হরমোন মাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ায় অনেক শিশু উচ্চ স্তনগ্রন্থি নিয়ে জন্মায়। এটি কোনো সমস্যা নয়, কিন্তু অবাক করে দেয়।
দৃষ্টি ও ত্বকের ক্র্যাডল ক্যাপ
শিশুদের মাথার চুল ঝরে যাওয়া মূলত একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। কখনো কখনো মানুষ এটি কৌতূহলী হয়ে পড়ে। কিন্তু বাচ্চা মায়ের পেটে থাকার সময় হরমোনের পরিবর্তন কারণে তা ঘটে। ক্র্যাডল ক্যাপ সাধারণত কয়েক মাস স্থায়ী হয়। কিছু ক্ষেত্রে এটি দুই বা তিন বছর বয়স পর্যন্ত থাকতে পারে।
ডাকাতেরা যখন মুখ চেপে ধরেছিল, তখন মনে মনে শুধু বলছিলাম, ‘আল্লাহ আমাকে অসম্মানিত
