Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চুরির চেষ্টার অভিযোগে হাত বেঁধে মারধর, পরদিন সেতুর নিচ থেকে তরুণের লাশ উদ্ধার

Published October 15, 2026 · Updated October 15, 2026 · By James Jackson - banglaprabah.com

Foto : James Jackson - banglaprabah.com

চ র র চ ষ ট র অভিযোগে তরুণকে বেঁধে মারধর, সেতুর নিচে মিলল মরদেহ

Banglaprabah.com – চ র র চ ষ ট র - চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চ র র চ ষ ট র অভিযোগে মো. ইমন (২১) নামের এক তরুণকে হাত বেঁধে মারধরের পর তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পরদিন কল্পলোক আবাসিক এলাকার একটি সেতুর নিচ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাকলিয়া এলাকায় একটি পান-সিগারেটের দোকানে চ র র চ ষ ট র অভিযোগ তুলে ইমনকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে মারধর করা হয়। ওই মারধরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে কল্পলোক আবাসিক এলাকার ২ নম্বর সড়কের ৫ নম্বর ব্রিজের নিচ থেকে ইমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং মরদেহটি উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ভিডিও ও ছবিতে যা দেখা গেছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গভীর রাতে কয়েকজন ব্যক্তি ইমনের হাত পেছনের দিকে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় তাঁকে নিয়ে যাচ্ছেন। ভিডিওতে থাকা দুজনের পরনে নিরাপত্তাকর্মীর পোশাক ছিল এবং তাঁদের হাতে লাঠি দেখা যায়।

দূর থেকে তোলা আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, একজন ব্যক্তি ইমনকে মাটিতে ফেলে লাঠি দিয়ে মারছেন। তাঁর পাশে আরও কয়েকজনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এসব ছবি ও ভিডিও ঘটনার তদন্তে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চারজন গ্রেপ্তার, মামলা করেছেন নিহতের ফুফু

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন আব্দুর রহমান জিসান (২১), ইয়াছিন আরাফাত (২৩), মো. হাসান (৩৩) ও মো. মিজানুর রহমান (২৭)। তাঁরা সবাই বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দা। বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীনূর আলম জানান, দোকানে চ র র চ ষ ট র অভিযোগে ইমনকে আটকে মারধর করা হয়েছিল।

নিহত ইমনও বাকলিয়ার বাসিন্দা। ঘটনার পর তাঁর ফুফু রেহানা বেগম বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে; অন্য আসামিদের বিষয়ে তদন্ত ও অভিযান চলছে।

চুরির অভিযোগ উঠলেও কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলে তাঁকে মারধর বা আটকে রাখার বদলে পুলিশকে জানানো উচিত। আইনগত প্রক্রিয়ায় অভিযোগ যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াই নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য পথ।

প্রশ্নোত্তর

ইমনের মরদেহ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়?

বাকলিয়ার কল্পলোক আবাসিক এলাকার ২ নম্বর সড়কের ৫ নম্বর ব্রিজের নিচ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনায় কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?

এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

চ র র চ ষ ট র অভিযোগে কাউকে মারধর করা কি বৈধ?

না। অভিযোগ থাকলে পুলিশকে জানানো এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা উচিত। কাউকে বেঁধে রাখা বা মারধর করা গুরুতর অপরাধের অভিযোগ তৈরি করতে পারে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is চ র র চ ষ ট র?

চ র র চ ষ ট র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does চ র র চ ষ ট র matter?

চ র র চ ষ ট র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.