চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে গতি আসল
চট টগ র ম চ ন অর – বাংলাদেশের চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলায় চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল গড়ে তুলার প্রক্রিয়ায় বিশেষ গতি দেখা যাচ্ছে। এই অঞ্চলের জন্য রাস্তাঘাটসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এসব কাজে চার হাজার এক শত কোটি টাকা ব্যয় হবে।
২০২৭ সালের জানুয়ারিতে কাজ শুরু হবে এবং ২০৩১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর প্রতি বছর প্রায় ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ হবে। অতিরিক্ত এক লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।
প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে ঘোষণা
গত মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় এই প্রকল্প অনুমোদিত হয়। বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতি ছিলেন। এ প্রকল্পের আওতায় সোয়া এক কিলোমিটার জেটি লিংক রোড নির্মাণ করা হবে। তা ছাড়া গ্যাস সংযোগের জন্য দুই কিলোমিটার লাইনও তৈরি হবে।
আনুষ্ঠানিক প্রকল্পে পানি সংরক্ষণাগার স্থাপন হবে। সার্বিকভাবে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে এই সব কাজে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অবকাঠামো নির্মাণ দেশজ উৎস থেকে ১ হাজার ৭২২ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণে পাওয়া যাবে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ হবে। এ ছাড়া এক লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
প্রকল্পের জন্ম ও অগ্রগতি
২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ঢাকা সফরে চীনা অর্থনৈতিক জোন গঠনের আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়, কিন্তু মালিকানা ও ঠিকাদার নিয়োগের জটিলতার কারণে প্রকল্প ঝুলে থাকে। ২০২২ সালে সিআরবিসি নতুন ডেভেলপার হিসেবে মনোনীত হয়। কিন্তু সরকারি ক্রয়নীতির কারণে সেই প্রতিষ্ঠান সম্ভাব্যতা যাচাই ও ডেভেলপার হিসেবে দুই ভূমিকায় কাজ করতে পারে না। এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়, যার কারণে প্রকল্প আটকে যায়। নতুন সরকার আসার পর প্রকল্পটি আবার গতি পায়।
অন্যান্য প্রকল্পের অনুমোদন
এ সভায় পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়। তার মধ্যে তিনটি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প। অন্যান্য প্রকল্পগুলো হলো ফেনী জেলার মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন, করতোয়া নদীব্যবস্থা উন্নয়ন, পদ্মা নদীর ভাঙন থেকে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর �
