Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

গ‍্যাস সরবরাহ কমার পর বেড়েছে লোডশেডিং

Published August 20, 2026 · Updated August 20, 2026 · By Charles Hernandez - banglaprabah.com

Foto : Charles Hernandez - banglaprabah.com

Banglaprabah.com – গ য স সরবর হ কম র - দেশে গ‍্যাসের সরবরাহ কমার পর বেড়েছে লোডশেডিং। এলএনজি কার্গোর অভাবে বুধবার বেলা তিনটায় এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বন্ধ হয়ে গেছে। এরপর প্রতি ঘণ্টায় বেড়েছে লোডশেডিং। রাজধানী ঢাকাতেও লোডশেডিং করা হচ্ছে বিভিন্ন এলাকা ভাগ করে। গ্যাস সরবরাহ আরও কমায় তার প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বেড়েছে লোডশেডিং। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যার পর একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গ্রামাঞ্চলেও পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি বেড়েছে মানুষের।. এলএনজি কার্গোর অভাবে বুধবার বেলা তিনটার দিকে এক্সিলারেটের টার্মিনালের মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়। ফলে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এখন নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত মূলত সামিটের টার্মিনাল থেকেই আমদানি করা এলএনজি সরবরাহ করতে হচ্ছে। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর ১২টায় দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে ৬৬ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছিল। দেশীয় কূপ থেকে পাওয়া ১৬২ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুটসহ মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২২৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট। ছয় ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টায় এলএনজি সরবরাহ কমে দাঁড়ায় ৫৬ কোটি ২০ লাখ ঘনফুটে। দেশীয় গ্যাসও সামান্য কমে ১৬২ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুটে নামে। ফলে মোট সরবরাহ দাঁড়ায় ২১৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট।. সরকারি হিসাবে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে সন্ধ্যায় সরবরাহ ছিল ২১৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল ১৬১ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট। যদিও স্বাভাবিক সময়ে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। গ্যাস সরবরাহ কমার প্রভাব বুধবার সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ উৎপাদনেও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পাওয়ার গ্রিডের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ১৭ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। তখন লোডশেডিং ছিল মাত্র ১১৭ মেগাওয়াট।.

বেলা দুইটায় চাহিদা ১৫ হাজার ২০৬ মেগাওয়াটে উঠলেও সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার ১৩৯ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৭ মেগাওয়াটে। বিকেল পাঁচটায় চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট এবং সরবরাহ ১৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮০৪ মেগাওয়াট। সন্ধ্যায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। সন্ধ্যা সাতটায় চাহিদা বেড়ে ১৭ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট হলে সরবরাহ নেমে আসে ১৪ হাজার ৮১৫ মেগাওয়াটে। এ সময় লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৫৩০ মেগাওয়াট। রাত ৯টায়ও ২ হাজার ৪৪৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। বৃষ্টি না হলে বৃহস্পতিবারও ভুগতে হতে পারে লোডশেডিংয়ে। অর্থাৎ দিনের শুরুতে যেখানে লোডশেডিং প্রায় ছিল না, সন্ধ্যার পর তা আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। .এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, আরও বাড়ছে সংকট

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is গ য স সরবর হ কম র?

গ য স সরবর হ কম র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does গ য স সরবর হ কম র matter?

গ য স সরবর হ কম র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.