Uncategorized

গারো পাহাড়ে গরু পালন, বদলে যাচ্ছে সীমান্তের খামারিদের জীবন

গারো পাহাড়ে গরু পালন, সীমান্তবর্তী খামারির জীবন পরিবর্তিত হচ্ছে গ র প হ ড় গর প - আষাঢ়ের শেষ ঘন্টায় পশ্চিম আকাশ থেকে সূর্যের আভা ছড়িয়ে পড়ে। গারো পাহাড়ের

Desk Uncategorized
Published June 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

গারো পাহাড়ে গরু পালন, সীমান্তবর্তী খামারির জীবন পরিবর্তিত হচ্ছে

গ র প হ ড় গর প – আষাঢ়ের শেষ ঘন্টায় পশ্চিম আকাশ থেকে সূর্যের আভা ছড়িয়ে পড়ে। গারো পাহাড়ের সুন্দর ঢাল রাতের হালকা আলোয় এখন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এ সময় গান্দিগাঁও গ্রামে খামারি হেলাল মিয়া গরু পালনের কাজে ব্যস্ত। তিনি পশ্চিম আকাশে সারা বছর গরু ছেড়ে দিয়েছেন এবং সন্ধ্যার আগে তাঁরা গরু নিয়ে ফিরে আসেন পরিবারে।

সীমান্তবর্তী এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশি গরু পালনের কার্যক্রম এখন এই অঞ্চলে নিত্য হয়ে উঠেছে। এর ফলে খামারিদের জীবনযাত্রায় অর্থনৈতিক স্বাবলম্বনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশি গরু বিক্রির মূল্য একটি বাছুর জন্য ৪০ থেকে ৫০ হাজার, বড় গরুর জন্য ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে উঠেছে।

“সকালে গরু পাহাড়ে ছেড়ে দিই, সন্ধ্যার আগে আবার নিয়ে আসি। শুধু লবণ-পানি দিই, আর কোনো খাবার লাগে না। এতে ভালো লাভ হয়,” বলেন হেলাল মিয়া।

এই পদ্ধতিতে খামারিরা কম খরচে বেশি মুনাফা কীর্তিকারী হচ্ছেন। পাহাড়ের সারা বছর ঘাস ও লতাপাতা রয়েছে যা দেশি গরু খায়। তাই খাবারের ব্যয় কম হয়ে এসেছে। কৃষি কাজের পাশাপাশি গরু পালন দ্বারা খামারিদের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কার্যক্রমে সন্তানদের শিক্ষার সুবিধা হয়েছে।

গারো পাহাড়ে দেশি গরু পালনের প্রসার দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন গ্রামে। বাবেলাকোনা, হারিয়াকোনা, খাড়ামোড়া, গজনী ও অন্যান্য জায়গায় এখন গরু পালনকে কেন্দ্র করে নতুন অর্থনৈতিক কাজ চালু হয়েছে। কৃষকদের খামারে ৮ থেকে ১৫টি গরু রয়েছে বলে জানা গেছে। কিছু খামারে গরু রয়েছে ৬০ থেকে ৭০টি পর্যন্ত।

“কৃষিকাজের পাশাপাশি গরু পালন করি। খরচ কম, লাভ ভালো। মাঝে মাঝে বন্য প্রাণীর আক্রমণ ঝুঁকি রয়েছে,” বলেন গজনী এলাকার কৃষক হেরুত মারাক।

বালিজুরি গ্রামে খামারি হজরত আলী বলেন, “পাহাড়ের ঘাসেই গরু ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। খাবারের খরচ নাই, রোগও কম হয়। বাজারে দেশি গরুর চাহিদা বেশি। তাই আমরা লাভবান হচ্ছি,” যোগ করেন।

আর শ্রীবরদীর বালিজুরি গ্রামে খামারি রফিকুল ইসলাম বলেন, “পাহাড়ে বেড়ে ওঠা দেশি গরুর মাংসের স্বাদ ভালো হওয়ায় বাজারে এসব গরুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি।”

প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় দেশি গরুর সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগের অসুবিধা, দ্রুত চিকি

Leave a Comment