Uncategorized

কৃত্রিম ডিম থেকে কৃত্রিমভাবে ফোটানো হলো জ্যান্ত মুরগির বাচ্চা

কৃত্রিম ডিম থেকে জ্যান্ত মুরগির বাচ্চা ফোটানো সম্ভব হয়েছে ক ত র ম ড ম থ - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অপূর্ব প্রগতির মাধ্যমে পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে যাওয়া অতীতের

Desk Uncategorized
Published May 31, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কৃত্রিম ডিম থেকে জ্যান্ত মুরগির বাচ্চা ফোটানো সম্ভব হয়েছে

ক ত র ম ড ম থ – বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অপূর্ব প্রগতির মাধ্যমে পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে যাওয়া অতীতের প্রাণীদের পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন এখন রুপালি পর্দার কল্পনা নয়। মার্কিন দেশের কলোসাল বায়োসায়েন্সেস প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে তৈরি কৃত্রিম ডিম থেকে জ্যান্ত মুরগির বাচ্চা ফোটানোর পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে, যা প্রাকৃতিক ডিম ফোটানোর মতো কাজ করে।

পৃথিবীর ইতিহাসে বিলুপ্ত প্রাণীদের পুনরুদ্ধার করার জন্য বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ সময় সেটি সম্ভব করতে পারেনি। এখন তাঁরা এই আবিষ্কার করেছেন, যে বিশুদ্ধ ডিএনএ বা মুরগির ভ্রূণের জন্য নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্পূর্ণ জীবনের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত করা সম্ভব। সূত্রে জানা গেছে, কলোসাল বায়োসায়েন্সেস বর্তমানে উলি ম্যামথ ফিরিয়ে আনার প্রকল্প চালাচ্ছে। এই কৃত্রিম ডিমের সৃষ্টি মহাকাশ ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিপ্লব ঘটাচ্ছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।

এই বিশেষ কৃত্রিম ডিমটি থ্রিডি প্রিন্টেড প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি সিলিকন ভিত্তিক মেমব্রেন রয়েছে, যা বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস প্রবেশ করতে দেয়। এটি আসল ডিমের মাইক্রোস্কোপিক ছিদ্রের কাজ অনুকরণ করে। ডিমের ভেতরে একটি স্বচ্ছ জানালা রয়েছে যেখানে বিজ্ঞানীরা প্রতিটি ধাপ দেখতে পাচ্ছেন।

বিজ্ঞানীদের কাছে পূর্বে ভ্রূণগুলোকে বড় করতে হতো প্রচুর অক্সিজেন দিতে। সে প্রক্রিয়াটি এখন পরিবর্তিত হয়েছে। মুরগির বাচ্চাগুলোকে খামারে নিয়ে গেছেন বিজ্ঞানীরা। এটি একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য নিশ্চিত করেছেন।

“আমরা একটি নতুন ও জৈবিকভাবে নির্ভুল কালচার সিস্টেম তৈরি করেছি, যা পাখির ভ্রূণের দীর্ঘমেয়াদি ও সুস্থ বিকাশের জন্য অভিনব।”

কলোসাল বায়োসায়েন্সেসের চিফ বায়োলজি অফিসার অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পাস্ট বলেন, এই প্রযুক্তি কোনো বিকল্প বা সারোগেট মা ছাড়াই কাজ করতে পারে। যেকোনো প্রাণীর জেনোম হলো একটি নকশার মতো। এর পুনরুদ্ধারের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ আছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

বার্সেলোনার মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল সায়েন্সেসের পরিচালক কার্লেস লালুয়েজা-ফক্স বলেন, কৃত্রিম ডিম তৈরি করার প্রক্রিয়াটি আগে কখনো দেখা হয়নি। এটি অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস পরিবাহনের মাধ্যম

Leave a Comment