কাস্টমস কর কমিয়ে ব্যবসার খরচ কমবে
ক স টমস র হয়র ন কমল – প্রস্তাবিত বাজেটে শিল্পপণ্যের প্রয়োজনীয় প্যাকেজিং উপকরণ আমদানি করার জন্য কাস্টমস কর পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে ৫ শতাংশ ছিল এই কর, এখন তা কমিয়ে ৪ শতাংশ করা হয়েছে। এতে দেশের বিশেষ প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুটা সুবিধা পেতে পারে।
আর্থিক বছরে আমদানি করা পণ্যের ক্ষেত্রে কাস্টমস কর্মকর্তারা বিশেষ হয়রানি করছেন। যেমন, কোনো পণ্য আমদানি করলে তার দাম সেই পণ্যের মূল্যের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। সেটি বর্তমানে ১ হাজার ৪০০ ডলার ধরে হিসাব করছে। উদ্যোক্তারা সাধারণত এই হয়রানি থেকে মুক্তি চান।
বাজেট বাস্তবায়নের পর্যায়ে এই বিষয়টি সমাধান করলে ব্যবসার খরচ কিছুটা কমবে।
বাজেটে প্রতিষ্ঠানগুলোর সন্তুষ্টি নেওয়া হয়েছে
বাজেটে দেশের জনগণের আশা পূরণের জন্য মানুষের চাহিদা মেটানোর উদ্দেশ্যে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু আমরা ব্যবসায়ীরা বড় বাজেট শুনলে আঁতকে উঠি। কারণ দিন শেষে বড় বাজেট পূরণে অনেক কর আহরণের চাপ হয়।
বিগত সরকারের আমল থেকে বড় বাজেট ঘোষণার বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে নেওয়া হচ্ছে। অথচ বড় বাজেট অর্জনযোগ্য কি না সেটি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেট পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যও পূরণ হয়নি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কারণে।
ব্যবসা সহজ করার প্রকল্প পরিচিতি দেওয়া হয়েছে
অর্থমন্ত্রী ব্যবসা সহজ করার জন্য বেশ কিছু উদ্যোগের কথা বলেছেন। সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করলে ব্যবসায়িক কাজগুলো সহজ হবে। কিন্তু আমলাতন্ত্রের সংস্কার না হলে এসব প্রকল্পের কার্যকারিতা সন্দেহজনক।
বাজেটে সরকার আমদানি পণ্যের দাম কমানোর জন্য অনেক কর কমিয়ে দিয়েছে। ফলে অর্থায়ন কোথা থেকে আসবে সেটি স্পষ্ট করা হয়নি। কাস্টমস কর ঘাটতি মেটানোর জন্য সরকার এক্সক্সলুসিভ ক্যান থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এখন ঋণের সুদহার নিয়ে সমস্যা রয়েছে।
সরকার ১১–১২ শতাংশ সুদে ঋণ নিলে ব্যাংকগুলো সেটিকে নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করবে। তখন ব্যাংকগুলো শিল্পখানায় ঋণ দেওয়া বরং ঝুঁকিপূর্ণ মনে করবে।
সৈয়দ নাসির, এমডি, এক্সক্লুসিভ ক্যান বলেন, ব্যাংক খাত থেকে বিপুল ঋণ নেওয়া থেকে সরকারকে বিরত থাকতে হবে। তা না হলে বেসরকারি খাতে প্রবৃদ্ধি হবে না। ঋণের সুদহারও কমবে না।
