Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কাদের, নাছিম ও আরাফাতের খালাস চেয়েছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী

Published August 14, 2026 · Updated August 14, 2026 · By William Jones - banglaprabah.com

Foto : William Jones - banglaprabah.com

রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী তিন নেতার খালাস চাইলেন

Banglaprabah.com – ক দ র ন ছ ম ও - আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর আদালতে বৃহস্পতিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ আবেদন গ্রহণ করা হয়। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তিন শীর্ষ নেতার খালাস চেয়ে এই আবেদনটি করা হয়। রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম এই আবেদনটি করেন তাঁদের পক্ষে।

কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি অভিযোগ অস্বীকার

এম হাসান ইমাম জানান, তাঁর তিন মক্কেলের বিরুদ্ধে 'সুপিরিওর কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি' বা উচ্চতর কমান্ড দায়িত্বের অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি বলেন, এই অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

একজন ব্যক্তি নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা তাঁর তিন মক্কেল কার্যকর করেছেন। ফলে কাদের, নাছিম, আরাফাত কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির কারণে দায়ী নন।

আইনজীবী আরও ব্যাখ্যা করেন, জুলাই মাসে যেসব হত্যাকাণ্ড, গোলাগুলি ও মারামারি সংঘটিত হয়, সেসব ঘটনায় তাঁর তিন মক্কেলের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সহিংসতার যেসব স্থানে ঘটনা ঘটেছে, সেখানে তাঁদের শারীরিক উপস্থিতি ছিল না।

অন্য চার আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক

এই মামলার মোট সাত আসামির সবাই পলাতক। তাই ট্রাইব্যুনাল রাষ্ট্রনিযুক্ত দুই আইনজীবীকে সব আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক করার নির্দেশ দিয়েছেন। হাসান ইমামের পাশাপাশি ইসরাত জাহান অন্য চার আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক করেন।

ইসরাত জাহান জানান, তাঁর চার মক্কেল যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

নিখিলের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে মহড়া দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ যতগুলো ভিডিও ও প্রতিবেদন দাখিল করেছে, তাতে কোথাও নিখিলকে অস্ত্র হাতে দেখা যায় না। কোনো সাক্ষীও নিখিলকে অস্ত্র হাতে দেখেছেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেননি।

ইসরাত জাহান আরও বলেন, তাঁর চার মক্কেলের বিরুদ্ধে নির্দেশনা, উসকানি ও প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ এমন কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি যাতে দেখা যায় যে তাঁর চার মক্কেল কাউকে বলেছেন, 'তোমরা ছাত্র-জনতাকে খুন করো অথবা তাদের ইনজুরড করো।' ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের 'শেষ দেখে নেওয়ার' অভিযোগও রয়েছে। আইনজীবী ইসরাত জাহান ট্রাইব্যুনালকে জানান, সাদ্দামের এই কথার অর্থ আন্দোলনকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, আন্দোলনকারীদের মেরে ফেলা নয়।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ক দ র ন ছ ম ও?

ক দ র ন ছ ম ও is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ক দ র ন ছ ম ও matter?

ক দ র ন ছ ম ও matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.