Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

এ মাসেই সব শিক্ষক পাচ্ছেন অবসরসুবিধার একাংশ

Published August 9, 2026 · Updated August 9, 2026 · By Mark Gonzalez - banglaprabah.com

Foto : Mark Gonzalez - banglaprabah.com

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আংশিক সুবিধা প্রদান কার্যক্রম শুরু

Banglaprabah.com – এ ম স ই সব শ ক - চাকরিকালীন সময়ে মাসিক কাটা হওয়া অর্থের একটি অংশ এখনই শিক্ষক ও কর্মচারীদের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে ভোগান্তি কমানোই প্রধান লক্ষ্য। আপাতত আবেদনকারী প্রায় সকল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাঁদের প্রাপ্য সুবিধার একাংশ পাবেন। বাকি টাকা পরবর্তীতে আবেদনের ক্রমিক অনুযায়ী প্রদান করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠানের সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এবার অবসরসুবিধার আবেদন করেছে ৭০,১১৯ জন। এই খাতে প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা খরচ হবে। অন্যদিকে, কল্যাণসুবিধার জন্য ৫৩,৪৭৭টি আবেদন এসেছে। এতে প্রয়োজন হবে প্রায় ৫৬৫ কোটি টাকা। যেহেতু একজন শিক্ষক-কর্মচারী দুটি সুবিধাই পান, তাই দুটি খাতে মোট ১,২৩,৫৯৬টি আবেদনের বিপরীতে টাকা দেওয়া হলেও প্রকৃত শিক্ষক ও কর্মচারীর সংখ্যা তার চেয়ে কম হবে।

সুবিধার পরিমাণ ও সময়সীমা

আপাতত একজন শিক্ষক অবসরসুবিধার জন্য সর্বোচ্চ সাড়ে ৪ লাখ টাকা এবং কল্যাণসুবিধার জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা পাবেন। তবে গ্রেড অনুযায়ী এই টাকা কমবেশি হবে। কল্যাণসুবিধার আবেদনের শেষ তারিখ ছিল ৩০ জুন। আর অবসরসুবিধার আবেদনের শেষ তারিখ ছিল ৩১ জুলাই। এই দুটি তারিখের মধ্যে আবেদন করা শিক্ষক-কর্মচারীরাই এই আংশিক সুবিধা পাবেন।

১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।

বর্তমানে হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী অবসরের পর মাসের পর মাস, বছরের পর বছর নিজেদের প্রাপ্য অর্থের জন্য অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করেও টাকা হাতে পাননি।

অবসরসুবিধা বোর্ডের সচিব মো. মোশাররফ হোসেন জানান, এখন আবেদনকারী প্রায় সব শিক্ষক-কর্মচারীই তাঁদের চাঁদার টাকার অংশ পাবেন। বাকি টাকা যখনই আসবে, তখনই তা দেওয়া হতে থাকবে। তাঁর আশা, এখন এই বিষয়ে ভোগান্তি দূর হবে।

চাঁদার হার ও তহবিলের উৎস

শিক্ষকদের অবসরের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় 'টাকা নেই' এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো। এমনকি পাওয়ার আগেই কেউ কেউ মারা যেতেন। এই টাকা দেওয়া হয় শিক্ষকদের চাঁদা, ব্যাংকে জমা থাকা টাকার সুদ এবং মাঝেমধ্যে সরকারের দেওয়া থোক বরাদ্দ ও বন্ড সুবিধার ভিত্তিতে।

২০১৯ সাল পর্যন্ত চাঁদার হার ছিল অবসরসুবিধার জন্য ৬ শতাংশ এবং কল্যাণসুবিধার জন্য ৪ শতাংশ। এর আগে অবসরসুবিধার জন্য ৪ শতাংশ এবং কল্যাণসুবিধার জন্য ২ শতাংশ হারে চাঁদা নেওয়া হতো। প্রতি মাসে মূল বেতনের এই হারে টাকা কেটে রাখা হতো।

এছাড়াও সারা দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ছয় লাখের বেশি। তাঁদের সুবিধা পরিচালিত হয় দুটি পৃথক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট কল্যাণসুবিধার অর্থ দেয়। আর অবসরসুবিধার অর্থ দেয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসরসুবিধা বোর্ড।

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বছরে ১০০ টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসরসুবিধা ও ৩০ টাকা কল্যাণসুবিধা তহবিলে জমা হয়। বাকি অর্থ সরকার এবং জমা করা অর্থের সুদ থেকে সমন্বয় করা হয়।

গ্রেডভেদে সুবিধার পার্থক্য

সর্বোচ্চ গ্রেডে অর্থাৎ অধ্যক্ষদের ক্ষেত্রে অবসরসুবিধা হিসেবে মোট প্রায় ৩৮ লাখ টাকা পাওয়া যায়। এর মধ্যে চাঁদার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা। কল্যাণসুবিধা হিসেবে একজন অধ্যক্ষ মোট ২০ লাখের বেশি টাকা পান।

অন্যদিকে মাধ্যমিকের একজন সহকারী শিক্ষক অবসরসুবিধা হিসেবে প্রায় ১৭ লাখ টাকা পান। এর মধ্যে চাঁদার পরিমাণ প্রায় ২ লাখ টাকা। আর একজন সহকারী শিক্ষক কল্যাণসুবিধা হিসেবে মোট প্রায় পৌনে ৭ লাখ টাকা পান। এর মধ্যে চাঁদার পরিমাণ প্রায় ৭৭ হাজার টাকা। কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই টাকা আরও কম হয়।

শিক্ষকসমাজে এই আংশিক টাকা পাওয়ার বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে তাঁদের প্রত্যাশা, অবশিষ্ট টাকাও যেন দ্রুত দেওয়া হয়। কল্যাণ ট্রাস্টের একজন কর্মকর্তা জানান, তাঁরা আশা করছেন এখন আংশিক টাকা দেওয়া হলেও সরকার হয়তো পরে এই খাতে তহবিল দেবে। তখন বাকি টাকাও দেওয়া হবে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is এ ম স ই সব শ ক?

এ ম স ই সব শ ক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does এ ম স ই সব শ ক matter?

এ ম স ই সব শ ক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.