এশিয়ায় বিশ্বকাপ, রোনালদোর পাপমোচন এবং ব্রাজিলের ‘পেন্টা’
বিশ্বকাপের মহাযাত্রা এবং সম্পূর্ণ বিশ্ব সামগ্রিক চরম আয়োজন
এশ য় য় ব শ বক প – ১৯৩০ সালে মন্টেভিডিওর সেই ধূসর বিকেলে বিশ্বকাপ নামে যে মহাযাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ শতবর্ষের প্রান্তে পৌঁছেছে। এই যাত্রার কোথাও পেলে-গারিঞ্চার সাম্বার ছন্দ ছিল, কোথাও ম্যারাডোনার ঈশ্বরপ্রদত্ত জাদুকরি ছোঁয়া হয়েছিল। আবার কোথাও জিনেদিন জিদান কিংবা লিওনেল মেসির অমরত্বের পথে হেঁটে যাওয়া হয়েছিল। সব মিলিয়ে এটা তো এই ফুটবল-পুরাণ।
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন হয়েছিল—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ। শুরু থেকেই ইউরোপ আর আমেরিকার চেনা আঙিনাতেই ঘুরপাক খেয়েছে বিশ্বকাপ। ৭২ বছরের সেই আধিপত্য ভেঙে সেবারই প্রথম বিশ্বকাপ পা রাখল এশিয়া মহাদেশে। শুধু তা–ই নয়, ইতিহাসের প্রথম যৌথ আয়োজক হিসেবে হাত মেলাল দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান।
তেজোজ্জ্বল স্টেডিয়ামে প্রযুক্তির অনুভূতি
২০টি ঝকঝকে স্টেডিয়ামে প্রযুক্তির এক চোখধাঁধানো প্রদর্শনী দেখল বিশ্ব। এর চেয়ে বেশি স্টেডিয়ামে কোনো বিশ্বকাপ হয়নি আর। তবে মাঠের বাইরে দুই আয়োজকের সম্পর্কটা কিন্তু পুরোপুরি ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ ছিল না। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে কোরিয়া দখল করেছিল জাপান। সেই পুরোনো রাজনৈতিক তিক্ততার মেঘ হুট করেই যেন আকাশে ভেসে উঠল।
সিউল স্টেডিয়ামের ভিআইপি বক্সে জাপানি সম্রাট আকিহিতোর আসনটি খালিই পড়ে রইল। কোরিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি চুং মং জুন এই অনুপস্থিতিকে তুলনা করেছিলেন এক অদ্ভুত উপমায়, “বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান তো অনেকটা বিয়ের বন্ধনের মতো। বর বা কনের কেউ একজন যদি বিয়েতে না আসে, ব্যাপারটা ঠিক তেমন হলো। এটা রুচির ব্যাপার নয়, এটা ছিল দায়বদ্ধতা।”
ফিফা এই বিশ্বকাপে বেশ কিছু বড় পরিবর্তন নিয়ে এল
স্কোয়াডে খেলোয়াড়ের সংখ্যা ২২ থেকে বাড়িয়ে করা হলো ২৩। আর আগের চ্যাম্পিয়নদের জন্য সরাসরি পরের বিশ্বকাপে খেলার যে নিয়ম ছিল, তা বাতিল �
