উৎপাদন কমেছে, বেড়েছে খরচ, কক্সবাজারের ৪২ হাজার লবণচাষি বিপাকে
উৎপ দন কম ছ ব ড় ছ – কক্সবাজার জেলায় চলতি মৌসুমে লবণ উৎপাদনে সমস্যা দেখা দিয়েছে ঘন ঘন লোডশেডিং, ডিজেল সংকট এবং বৃষ্টির কারণে। যার ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে কিন্তু দাম সে হারে বাড়েনি। চাষিদের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের লোকসান হচ্ছে।
লবণ চাষের মৌসুম গত বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছিল এবং এ বছর ১৭ মে সমাপ্ত হয়েছে। তবে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় বেশি কয়েক জন চাষি লবণ উৎপাদন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। জেলার প্রায় ৮০ শতাংশ লবণচাষি জেনারেটর ও ডিজেল চালিত পাম্পের উপর নির্ভর করেন। এসব সরঞ্জামের মাধ্যমে পানি তোলা হয়।
বিসিক কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী মোট ৬৮ হাজার ৫০৫ একর জমিতে লবণ চাষ হয়েছে। তাতে প্রায় ২০ হাজার পাম্প ও জেনারেটর ব্যবহার করা হয়েছে যার বেশির ভাগ ডিজেল নির্ভর। প্রতিটি পাম্প চালাতে দৈনিক ৫-৮ লিটার ডিজেল লাগে। কিন্তু চলতি মৌসুমে ডিজেল পেতে চাষিদের ভোগান্তি হচ্ছে।
খরচ বাড়ছে কিন্তু দাম বাড়েনি
ডিজেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় চাষিদের স্থানীয় খুচরা দোকানগুলো থেকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হয়েছে। প্রতি লিটারে ৩০-৫০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ প্রায় ১৫-২০ শতাংশ বেড়েছে। যদিও বাজারে লবণের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, চাষিদের কাছ থেকে প্রতি মণ লবণ ২৮০ টাকায় কিনে দালালেরা তা ৩৩০ টাকায় বিক্রি করছেন।
“চাষিদের কাছ থেকে প্রতি মণ লবণ ২৮০ টাকায় কিনে দালালেরা তা ৩৩০ টাকায় বিক্রি করছেন। চাষিরা লাভের মুখ দেখছেন না।”
গত বছর ১৭ মে মৌসুম শেষ হলেও এবার তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় লবণ উৎপাদন চলছে। তবে গত রোববার বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। জ্বালানিসংকট ও ঘন ঘন লোডশেডিং কারণে খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
গত বছর মৌসুমের শেষ দিন পর্যন্ত লবণ উৎপাদন হয়েছিল ২২ লাখ ৫১ হাজার ৬৫১ মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে পর্যন্ত ২৩ মে পর্যন্ত ১৯ লাখ ৩২ হাজার ৯২৪ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদিত হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩ লাখ ১৮ হাজার ৭২৭ মেট্রিক টন কম।
কোরবানি উপলক্ষে লবণের দাম কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু দালাল চক্রে সে লাভ হয়েছে না। চাষিদের দাবি, কোরবানির দাম বাড়ানো হয়েছে তাদের মুখে সেই অতিরিক্ত খরচ বাড়ছে।
টেকনাফের শাহপরী দ্বীপের চাষি জালাল আহমদ বলেন, “মৌসুম শেষের দিকে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা বেশি থাকে। তবু এখনো উৎপাদন চলছে। এতেও চাষিদের ক্�
