ঈদের ছুটি ছাড়াও ঢাকার রাস্তায় সচল এআই ক্যামেরা, অপরাধ গুনতে হবে জরিমানা
ঈদ র ছ ট ত ও ঢ – ঈদের ছুটি বৃদ্ধি পেয়ে ঢাকার প্রধান সড়কগুলো বেশি ফাঁকা হয়েছে। পূর্বে অপরাধ ছাড় দেওয়া হতে পারে এমন ক্ষেত্রে এবার সব নিয়ম মেনে চলতে হবে। এ কারণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশিষ্ট এআই ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণে থাকছে এবং কোনও বেপরোয়া চলার ফলে জরিমানা করা হবে। নিয়ম মেনে চলার জন্য চালকের লাইসেন্সে ‘ডিমেরিট পয়েন্ট’ যুক্ত হবে।
ট্রাফিক আইনে বেপরোয়া চলা নিষিদ্ধ
ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে আগে থেকে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। এখন সব মিলিয়ে ২০০টি ক্যামেরা থেকে ভিডিও ও ছবি সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ক্যামেরাগুলো আইন লঙ্ঘন করা গাড়ি শনাক্ত করছে এবং মালিকের নামে মামলা দেওয়া হচ্ছে। যানবাহনের সংখ্যা কম হলেও অপরাধ ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।
‘ঈদের ছুটিতেও এআই ক্যামেরা সচল থাকছে। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের জন্য মামলা দেওয়া হচ্ছে। আগে কিছু অপরাধে ছাড় দেওয়া হতে পারে এমন ক্ষেত্রে এবার সেগুলো কঠোরভাবে দেখা হচ্ছে।’ জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট শারমিন আফরোজ বলেন।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার ছুটির প্রথম দিন ঢাকার প্রধান সড়কগুলো কিছুটা ফাঁকা ছিল। সেই সাথে প্রতিটি গাড়ি নিয়ম মেনে চলার জন্য সচেতনতা দেখা গেছে। বিশেষ করে হেলমেট পরা থেকে শুরু করে ফুটপাতে গাড়ি চালানো পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
পিটিজেড ক্যামেরায় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করা গাড়ির নম্বর শনাক্ত করতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্যান-টিল্ট-জুম প্রযুক্তি বিশিষ্ট অপটিক্যাল জুমের মাধ্যমে দূরে থেকে স্পষ্ট ছবি ধারণ করতে পারে। চলন্ত বস্তু বা ব্যক্তিকে অনুসরণ করার সুবিধা রয়েছে।
ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, আগে ছয় ধরনের আইন অমান্যের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে আরও কিছু নির্দেশনা যুক্ত করা হয়েছে। এসব আইন অমান্য করা যানবাহন শনাক্ত করে নম্বরপ্লেট সহ ছবি তুলে রাখছে ক্যামেরা। সার্ভারে জমা হওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।
এআই ক্যামেরার ব্যবহার শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬৫০ জনের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে। এটি এত দিন যেসব অপরাধকে কঠোরভাবে দেখছে। অপরাধ গুনতে হবে জরিমানা পরিশোধ করতে মোবাইলে ভুয়া খুদে বার্তা পাঠাচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন এ ধরনের ভুয়া বার্তা পেয়েছেন।
ঢাকার সড়কে দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খলা দূর করতে পর্যায়ক্রমে সব সিগন্যাল বাতির খুঁটিতে এ ধরনের ক্যামেরা বসানো হবে। এতে ঢাকাজুড়ে ৫০০ ক্যামেরায় সড়ক যাতায়াতের সাথে সাথে নজরদারি করা হবে।
