ই-সিগারেটের ভেতরে থাকা রাসায়নিক সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে মারাত্মক ক্ষতি করে
ই-সিগারেটের রাসায়নিক সরাসরি ফুসফুসে ক্ষতি করে
মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
Banglaprabah.com – ই স গ র ট র ভ - সাম্প্রতিক সময়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ই-সিগারেট বা ভ্যাপিংয়ের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকের ধারণা, এটি সাধারণ সিগারেটের তুলনায় নিরাপদ বিকল্প। তবে এই বিশ্বাস সম্পূর্ণ ভুল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল।
ই-সিগারেটের ভেতরে থাকা নিকোটিন, প্রোপাইলিন গ্লাইকল, ভেজিটেবল গ্লিসারিন ইত্যাদি রাসায়নিক যখন উত্তপ্ত হয়ে বাষ্প বা 'ভেপার' তৈরি করে, তা সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে মারাত্মক ক্ষতি করে। এ ছাড়া এর ভেতর নিকেল, সিসা বা ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতুর কণা পাওয়া গেছে, যা পরবর্তীতে ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই এটিকে নিরাপদ বলার কোনো সুযোগ নেই।
এটি একদমই নয়। এটা একটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ক্ষতিকর ধারণা যা সমাজে ছড়ানো হচ্ছে। শুরুতে প্রচার করা হয়েছিল যে যারা ধূমপান ছাড়তে চান, তাদের জন্য এটি বিকল্প হতে পারে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, মানুষ এটি ছাড়ার বদলে উল্টো 'ডুয়াল অ্যাডিকশন' বা দ্বিগুণ আসক্তিতে আক্রান্ত হচ্ছে।
২০২৬ সালের ২০ মে প্রথম আলোর কার্যালয়, কারওয়ান বাজারে এই অনুষ্ঠানের আওতায় ১৭৮তম অনলাইন পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন। এইবারের বিষয়টি ছিল — 'ই-সিগারেট ধূমপান ছাড়ার কার্যকর বা নিরাপদ বিকল্প নয়।' উক্ত অনুষ্ঠানের আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।
কেন ই-সিগারেট নিরাপদ নয়?
অধ্যাপক ডা. মোহিত কামালের মতে, ই-সিগারেট ধূমপান ছাড়ার কার্যকর বা নিরাপদ বিকল্প নয়। এর ভেতরে থাকা রাসায়নিক উপাদানগুলো ফুসফুসে সরাসরি প্রবেশ করে মারাত্মক ক্ষতি করে। এ ছাড়া এর ভেতর নিকেল, সিসা বা ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতুর কণা পাওয়া গেছে, যা পরবর্তীতে ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই এটিকে নিরাপদ বলার কোনো সুযোগ নেই।
পরামর্শ ও সতর্কতা
ই-সিগারেটের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধূমপান ছাড়তে চাইলে ই-সিগারেটের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এছাড়া, ই-সিগারেট ছাড়ার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ও চিকিৎসা রয়েছে যা কার্যকর হতে পারে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
ই-সিগারেট কি সাধারণ সিগারেটের চেয়ে কম ক্ষতিকর? না, ই-সিগারেটের ভেতরে থাকা রাসায়নিক সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে মারাত্মক ক্ষতি করে। এতে নিকেল, সিসা ও ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতু থাকে যা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
ই-সিগারেট ধূমপান ছাড়ার বিকল্প হিসেবে কাজ করে? অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল জানান, ই-সিগারেট ধূমপান ছাড়ার কার্যকর বা নিরাপদ বিকল্প নয়। বরং অনেক ক্ষেত্রে 'ডুয়াল অ্যাডিকশন' বা দ্বিগুণ আসক্তি দেখা যায়।
ই-সিগারেটের ক্ষতিকর রাসায়নিকগুলো কী কী? নিকোটিন, প্রোপাইলিন গ্লাইকল, ভেজিটেবল গ্লিসারিন এবং নিকেল, সিসা, ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতুর কণা ই-সিগারেটে পাওয়া যায়।
ই-সিগারেট ছাড়ার পরামর্শ কোথায় পাওয়া যায়? প্রথম আলো ট্রাস্টের বিনামূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল পরামর্শ প্রদান করেন। এই অনুষ্ঠানটি নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ই স গ র ট র ভ?ই স গ র ট র ভ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ই স গ র ট র ভ matter?ই স গ র ট র ভ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.