ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের অহংকার ভাঙল যেভাবে
ইর ন য দ ধ – যুক্তরাষ্ট্রের ইরান যুদ্ধ হল ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশী নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুলের প্রমাণ। বিশ্ব জুড়ে তেল উৎপাদনের প্রধান স্থান হরমুজ প্রণালী এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার সূত্রপাতে ভূমিকা সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার স্বাক্ষর করা হয়েছিল আরব দেশগুলি এবং তাদের শান্তি রক্ষা করতে সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই যুদ্ধ তাদের সেই ভাবমূর্তি ভেঙে দিয়েছে।
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর ভিত্তি করে যুদ্ধের শুরু হয়েছিল। কিন্তু দুই পক্ষের শত্রুতা এবং বিপাকের মুখোমুখি হওয়া ছাড়াও এ যুদ্ধ আগের চেয়ে বেশি ধ্বংসাত্মক হয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অসংখ্য বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে যুদ্ধের আগে যেখানে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আসে। যুদ্ধের মাধ্যমে তেল উৎপাদন কমে গেলে গরিব দেশগুলির খাদ্যসংকট আসতে পারে।
শান্তির প্রস্তাব ও কাজীন সীমাবদ্ধতা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সৃষ্টি হয়েছে যুদ্ধের পর। এতে প্রায় ১৪টি শর্ত রয়েছে। মূলত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা আবারও আরম্ভ হয়েছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ছে এবং ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধ মুক্ত হয়েছে। তবে সামগ্রিক সমঝোতার সব কিছু প্রকাশ করা হয়নি।
যুদ্ধ শুরুর ঘোষণার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একটি পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছিল। এ আলোচনার প্রস্তাবে ইরান যুদ্ধের প্রতি প্রস্তুতি আছে।
২৭ ফেব্রুয়ারি তারকার দেওয়া হয়েছিল যুদ্ধের চূড়ান্ত নির্দেশনা। মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী গোলাবারুদ তোলে এবং লক্ষ্য নির্ধারণ করে। যুদ্ধের শুরুতে অতর্কিতে ইসরায়েল কয়েকটি ধ্বংসাত্মক হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তাঁর উপদেষ্টারা নিহত হন। তদন্তে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ইরানের একটি স্কুলে হামলা চালায় এবং ১৫০ জন বেসামরিক মানুষ মৃত হয়। যাদের মধ্�
