ইরানের দুই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, পাইলটদের আটকে রাখার অভিযোগের জবাবে কাতার কী বলছে
Banglaprabah.com – ইর ন র দ ই য দ - ইরানি পাইলটদের আটক করে রাখার দাবি অস্বীকার করেছে কাতার। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ বছরের শুরুর দিকে ইরানি পাইলটরা কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা সাড়া দেননি। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র গতকাল শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, পরে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল ওই পাইলটদের একজনের মরদেহের সন্ধান পায়। মরদেহ হস্তান্তরের সমন্বয়ের জন্য ইরানের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে। মুখপাত্র আরও বলেন, কাতার তাদের অভিযানের বিস্তারিত পর্যালোচনা করতে তেহরানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, তাতে এখনো ইরান সাড়া দেয়নি।. এ নিয়ে আল–জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি শনিবার ইরানি কর্মকর্তাদের ‘বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে’ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি নিশ্চিত করে বলেন, কাতারি বাহিনী জীবিত কোনো পাইলট বা ক্রুকে আটক করে রাখেনি। মাজেদ আল-আনসারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ইরানি পাইলটদের আটক করে রাখার বিষয়ে ছড়িয়ে পড়া দাবি আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। একই সঙ্গে এ সময়ে, যখন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে নানা উদ্যোগ চলছে, তখন এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে আমরা বিস্মিত।’ মাজেদের এই বক্তব্যের আগে তেহরান তাদের পাইলটদের মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরজাদেহ আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে দাবি করেছেন, মার্চে তাদের এসইউ-২৪ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর তিন পাইলট জাভেদ সালেহি, আবদোলমাজিদ দাশতিয়ান ও ওমরান বেহরাভেশিয়ান জীবিত অবস্থায় কাতারের হাতে আটক হন।. ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরজাদেহ আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে দাবি করেছেন, মার্চে তাদের এসইউ-২৪ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর তিন পাইলট জাভেদ সালেহি, আবদোলমাজিদ দাশতিয়ান ও ওমরান বেহরাভেশিয়ান জীবিত অবস্থায় কাতারের হাতে আটক হন।.
জেনারেল বাঘেরজাদেহ চিঠিতে আরও লেখেন, ওই পাইলটদের ছয় মাস ধরে আটক করে রাখা হয়েছে, কারও সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের পরিবার কিংবা কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। তিনি এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান। এর আগে ইরান বলেছিল, কাতারে একটি অভিযানে যাওয়ার পর তাদের একজন পাইলট নিহত এবং অন্যরা নিখোঁজ হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের আটক করার অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আগে কখনো প্রকাশ্যে আনা হয়নি। দোহা নিশ্চিত করেছে, গত মার্চে বিনা অনুমতিতে একাধিক যুদ্ধবিমান কাতারের আকাশসীমায় প্রবেশের পর কাতারের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী সেগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে সেগুলোকে সতর্ক করেছিল। কিন্তু সতর্কবার্তার কোনো জবাব না পাওয়ায় কাতারি বাহিনী যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে কাতারের অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল ইরানি পাইলট মাজিদ কাজেমির মরদেহ উদ্ধার করে। তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাতার সমন্বয়ও করেছে।. শনিবার মাজেদ বলেন, কাতার আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া এক পাইলটের মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে সমন্বয় করতে ইরানি পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কাতারের কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এ ছাড়া এপ্রিল মাসে পরিচালিত অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের বিস্তারিত জানাতে একটি ইরানি দলকে কাতার সফরের আমন্ত্রণও জানানো হয়, তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনো ওই আমন্ত্রণে সাড়া দেয়নি।’ কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে হামলার সময় ইরানি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এই বিমানঘাঁটিটি ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক স্থাপনা। এখানে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সদস্যরা অবস্থান করেন। মার্চের শুরুতে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তারা দুটি ইরানি সুখোই সু-২৪ বোমারু বিমান ভূপাতিত করেছে। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর উপসাগরীয় দেশ ইরানি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার কথা জানানোর ক্ষেত্রে সেটি ছিল প্রথম ঘটনা। .ইরানের ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ হুমকির মধ্যে তেহরানে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা. গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরু করে। ইরানও পাল্টা জবাব দেয়। উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে পাল্টাপাল্টি হামলার ওই ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে, তার মধ্যেই ইরানি যুদ্ধবিমান দুটি ভূপাতিত হয়। প্রাথমিক মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের উদ্যোগে গত এপ্রিলে হওয়া যুদ্ধবিরতিতে বড় ধরনের সামরিক সংঘাত সাময়িকভাবে বন্ধ হলেও জুনে শান্তি কাঠামো নিয়ে আলোচনা ভেঙে যায়। এর ফলে হরমুজ প্রণালির কাছে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ এবং আঞ্চলিক জাহাজ চলাচল ও অবকাঠামোতে নতুন করে হামলা শুরু হয়। এই বিরোধের পরও কাতার গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। .জর্ডান, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে বিমানঘাঁটিসহ বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলার দাবি ইরানের
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ইর ন র দ ই য দ?ইর ন র দ ই য দ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ইর ন র দ ই য দ matter?ইর ন র দ ই য দ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.