ইচ্ছামাফিক গ্রেপ্তার বন্ধ করতে হবে
ইচ ছ ম ফ ক গ র – আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা প্রাপ্ত ইচ্ছামাফিক গ্রেপ্তার প্রথা স্বাভাবিক আলোচনার মধ্যে পরিণত হয়েছে। অনেক সময় গ্রেপ্তারের কারণ স্পষ্ট করে জানানো হয় না। এই ধরনের বেআইনি চর্চা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। আর্বিট্রারি অ্যারেস্ট বা প্রাপ্তি অনুযায়ী আটক সংস্কৃতি বন্ধে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়াকে কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি বিচারিক তদারকি এবং স্বাধীন নজরদারি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলামের মন্তব্য
গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সানজিদা ইসলাম (তুলি) বলেন, অনেককে বাড়ি থেকে ইন্তিজাম বাহিনী পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয় যখন বিচারবহির্ভূত হত্যার বহু ঘটনায় রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সংস্থা গুমের ক্ষেত্রে অনেক সহজে ব্যক্তি গ্রেপ্তার করে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগী পরিচয় ধরে রাখার কারণ হিসেবে তাঁরা ভবিষ্যতে আর কাউকে সেই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে না হয় তার জন্য কাজ করার দায়বোধ তৈরি হয়।
আইনবহির্ভূত গ্রেপ্তার ও আটকের চর্চা রাষ্ট্রকে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের দিকে ঠেলে দেয়।
বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানের মন্তব্য
নিজের গুম হওয়ার কষ্টের স্মৃতি তুলে ধরেন মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান। তিনি নিজেকে শুধু রাজনীতিক নয়, বরং মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হিসেবে বিবেচনা করেন। তিনি বলেন, গত বছরগুলোতে সংস্থাগুলির কার্যালয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। আইনের ক্ষমতা বাড়ানো প্রসঙ্গে সংস্থাগুলি
