আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের ৩০ বছর
আহ ছ নউল ল ব জ ঞ – ক্যাম্পাসে সংঘটিত হয়েছিল এক বিশেষ আয়োজন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এম এ এইচ খান মিলনায়তন হয়ে উঠেছিল আবেগমাখা এক মিলনমেলা। আয়োজনের প্রধান প্রতিপাদ্য ছিল প্রজন্মের মেলবন্ধন: ভবিষ্যতের ভাবনা।
‘আয় আর একটিবার আয় রে সখা, প্রাণের মাঝে আয়/মোরা সুখের দুখের কথা কব, প্রাণ জুড়াবে তায়।’ এ গানটিই বোধ হয় ঘুরেফিরে বাজছিল সবার মনে।
১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগ আজ তাদের ৩০ বছর পূর্তি করছে। এ সময় প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে স্থাপতি এম এ মুক্তাদিরের সাথে সাংস্কৃতিক পরিচয় স্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি চার দিন ব্যাপিয়ে চলে। প্রথম দিন হতে প্রতিষ্ঠানের সূচনার পথ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এম এ মুক্তাদিরে স্থাপত্য বিভাগের সূত্রে সংস্কৃতি বিস্তার ঘটে। তিন দশকের যাত্রায় এই বিভাগ হাজারো শিক্ষার্থীকে স্পর্শ করেছে।
ডিজাইন শ্যারেট ও প্রতিযোগিতা
অন্যতম সবচেয়ে জনপ্রিয় আয়োজন হল ডিজাইন শ্যারেট। এতে আবিপ্রবি সহ মোট ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারিয়া তানজিম, জুবায়ের হোসেন ও হাসিবুল হাসান প্রথম স্থান অর্জন করেন।
দ্বিতীয় স্থান শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকে দেওয়া হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। গত শুক্রবার সেমিনার, স্মৃতিচারণা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
বিশেষ আয়োজনে স্থপতি মুস্তাফা খালিদ, শরিফ শামস, সাইফুল ইসলাম ও আশিক ভাষ্কর প্রধান বক্তা হন। আরেকটি আলোচনায় স্থপতি জিশান ফুয়াদ চৌধুরী, রুকুন উদ্দিন ভুইয়া, শফিউল আজম ও হোসেন মুরাদ অংশ নেন।
প্রথম দিনের সেমিনারে প্রস্তাব দেওয়া হয় ভবিষ্যের ভাবনা নিয়ে আলোচনা। উদ্বোধনী সন্ধ্যায় স্থপতি এম এ মুক্তাদিরকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। এ সময় উন্মোচন করা হয় শিক্ষার্থী ও প্রাক্তনদের কাজ নিয়ে বই—৩০তম বার্ষিকী স্মারক গ্রন্থ।
মূল আয়োজনের পর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা শুরু হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ওয়ারফেজ ব্যান্ডের সদস্য ও আবিপ্রবি স্থাপত্য বিভাগের সাবেক শিক্ষক শামস মনসুর। আজ সর্বসাধারণের জন্য খোলা থাকবে প্রদর্শনী। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্থপতিদের কাজ দেখা যাবে।
