Uncategorized

আলী যাকেরের স্মৃতি ধরে রাখতে গ্রন্থপাঠ উদ্যোগের পুরস্কার বিতরণ

আলী যাকেরের স্মৃতি ধরে রাখতে গ্রন্থপাঠ উদ্যোগের পুরস্কার বিতরণ আল য ক র র স ম - শুক্রবার রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত ‘আলী

Desk Uncategorized
Published May 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

আলী যাকেরের স্মৃতি ধরে রাখতে গ্রন্থপাঠ উদ্যোগের পুরস্কার বিতরণ

আল য ক র র স ম – শুক্রবার রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত ‘আলী যাকের মুক্তিযুদ্ধের গ্রন্থপাঠ উদ্যোগ’ প্রতিযোগিতার শেষ অধিকার সম্পন্ন হয়েছে। উদ্যোগটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও মঙ্গল দীপ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীদের পাঠাগারের পাঠ প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সেরা ২০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়াও কাজ করা পাঠাগারগুলোকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এই উদ্যোগে পাঠাগারের ভয়াবহ অবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়।

মামুনুর রশীদ বলেন, “আলী যাকের প্রমাণ করেছেন যে নাটক হলো মুক্তিযুদ্ধের ফসল। তাঁর মঞ্চে কখনো মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো শব্দ উচ্চারিত হয়নি। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় আনন্দ নেই। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই পড়তে বাধ্য করা হয়। কিন্তু অপাঠ্য বইয়ের মধ্যে যে আনন্দ ও শিক্ষা আছে, তা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। কেবল নম্বরের প্রতিযোগিতা দিয়ে শিক্ষিত ও মানবিক সমাজ গড়া সম্ভব নয়। এই প্রতিযোগিতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।”

সারা যাকের আরও জানান, “বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া তরুণ সমাজকে বিষাক্ত করে তুলছে। এই সময়ে তরুণদের বই পড়া খুবই জরুরি। আমরা চাই নতুন প্রজন্ম ডিজিটাল পর্দার প্রভাব থেকে দূরে সরে বইমুখী হোক।”

পাঠাগারগুলোকে কর্তৃত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা না করে রাজনৈতিক দলগুলো কাজে সহায়তা করছে না, তার প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়। উদ্যোগটি বর্তমান সময়ে একটি অপরিহার্য প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হয়।

উদ্যোগের প্রার্থীদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ৪৭টি পাঠাগারের শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া হয়। স্কুল ও কলেজের সমান ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় মোট ৩৪০টি পাঠ প্রতিক্রিয়া গৃহীত হয়। তার মধ্য থেকে দুই ক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে ১০ জন ছাত্রছাত্রীকে সম্মান করা হয়। প্রতিটি পাঠাগারকে উপহার দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার টাকা মূল্যের বই।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বেসরকারি গ্রন্থাগার সংহতির আহ্বায়ক শাহ নেওয়াজ এবং জুরিবোর্ডের সদস্য হেনা সুলতানার বক্তব্যও শোনা যায়। শেষে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান।

Leave a Comment