আওয়ামী লীগের সামনে চারটি পথ, বেছে নেবে কোনটি
আওয় ম ল গ র স মন – বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ তাদের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। টানা দেড় দশকের অপশাসন ও তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনের পর দলটি আজ ক্ষমতার বাইরে রয়েছে। সাংগঠনিক দুর্বলতার সম্মুখীন হওয়ায় এবং রাজনৈতিক সমর্থনের ক্ষেত্রে অস্থিরতা দেখা দেয়ায় দলটির ভবিষ্যতে বড় প্রশ্ন তুলে ধরেছে।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার টিকাটুলীর রোজ গার্ডেনে আওয়ামী লীগ তাদের যাত্রা শুরু করে। সূত্র দিয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর দলটি নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। এ ঘটনায় ক্ষমতার সম্পূর্ণ হারানোর সঙ্গে সাথে দেড় দশকের অপশাসন, সাংগঠনিক দুর্বলতা ও বিতর্কিত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা দেখা দেয়।
২০২৫ সালের মে মাসে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগও নিষিদ্ধ হয়েছে। সারা দেশে ঝটিকা মিছিল করার ঘোষণা দিয়ে দলটি তাদের সংকট অতিক্রম করার চেষ্টা করছে।
নিরাপত্তার ব্যবস্থা ও সামনে আসা বিপদ
রাজধানী ঢাকায় ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রাহ্য করে নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। একজন জ্যেষ্ঠ নেতা প্রথম আলোকে বলেন, “আওয়ামী লীগের তৎপরতা ঘিরে সরকার যে প্রস্তুতি নিয়েছে, সেটাই তাদের সাফল্য। কারণ ঝটিকা মিছিল করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে দেওয়া যাবে না।”
আওয়ামী লীগের এসব কর্মসূচি তেমন ফল বয়ে আনবে না; বরং দেশে থাকা যেসব নেতা-কর্মী জামিনে মুক্ত হয়েছেন, তাঁরা পুনরায় গ্রেপ্তার হতে পারেন। দলের ভেতর সংস্কার দরকার।
১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র যুদ্ধ অতিক্রম করে ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। এ সময়ে দলটির প্রধান শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ছয় মাসের একটি সরকারের ওপর চাপ দেওয়া সম্ভব নয়।
১৯৬৬ সালে ছয় দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আন্দোলন-সংগ্রামে পরিণত হয়। স্বাধীনতার পর �
