Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আইসিসির আচরণে ক্ষুব্ধ সহযোগী দেশগুলো

Published August 10, 2026 · Updated August 10, 2026 · By Jennifer Rodriguez - banglaprabah.com

Foto : Jennifer Rodriguez - banglaprabah.com

আইসিসির নতুন কাঠামোতে ক্ষোভ প্রকাশ সহযোগী ক্রিকেট বোর্ডগুলোর

সুপার সিরিজ যোগে দুই দেশের অসন্তোষ

Banglaprabah.com – আইস স র আচরণ ক ষ ব - ২০২৭ সালের পুরুষ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজন পদ্ধতিতে হঠাৎ করে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ক্রিকেট স্কটল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট বোর্ড (কেএনসিবি)। মূল প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে ১৮ মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে এই কাঠামোগত পরিবর্তন আনার কঠোর সমালোচনা করেছে সহযোগী সদস্য দুই দেশ।

গত মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে 'সুপার সিরিজ' নামে একটি নতুন পর্ব যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ১৪টি দলের মধ্যে র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে ১২তম, ১৩তম এবং ১৪তম স্থানীয় তিনটি দল এই সুপার সিরিজে খেলবে। সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এই সুপার সিরিজ থেকে কেবলমাত্র একটি দল দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে পারবে, যেখানে ১২টি দল দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খেলবে। এর ফলে দুটি দল মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হবে।

ক্রিকেটের বিশ্বব্যাপী প্রসারে নতুন দর্শকদের আকৃষ্ট করতে এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে উদীয়মান দেশগুলোর অবস্থান শক্ত করতে চেষ্টা চলছে। ঠিক এই সময়েই উদীয়মান দেশগুলোর সুযোগ কমিয়ে দেওয়া আইসিসির পক্ষ থেকে ভুল বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে মনে করছে নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

আইসিসির আচরণে হতাশা ও অসম্মান

ফরম্যাট পরিবর্তনের ঘোষণার পর ক্রিকেট স্কটল্যান্ড, কেএনসিবি এবং অন্যান্য সহযোগী সদস্যদেশ আইসিসির সাথে দুটি বৈঠক করে। এসব বৈঠকে ফরম্যাট পরিবর্তনের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যার পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা দাবি করা হয়েছিল। তবে সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস জানিয়েছে, দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বৈঠকের পর আইসিসির পক্ষ থেকে আর কোনো জবাব বা যোগাযোগ করা হয়নি।

আইসিসির এমন আচরণকে 'হতাশাজনক ও অসম্মানজনক' বলে অভিহিত করেছে দেশ দুটি।

যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড লিখেছে, 'এই পরিবর্তনগুলো অ্যাসোসিয়েট সদস্য ক্রিকেটের জন্য একটি বড় ধাক্কা এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটের প্রসারে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে। যখন ক্রিকেট তার পরিধি বাড়াতে, নতুন দর্শক টানতে এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে, ঠিক তখন উদীয়মান দেশগুলোর সুযোগ কমিয়ে দেওয়া একেবারেই ভুল বার্তা দেয়।' বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'আমরা আইসিসি এবং অন্যান্য সদস্যদের সাথে বিশ্ব ক্রিকেটের উন্নয়নে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এসব পরিবর্তনের প্রভাব এবং যে প্রক্রিয়ায় এগুলো আনা হয়েছে, তা নিয়ে আমাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণের আগে পর্যাপ্ত আলোচনার প্রয়োজন ছিল।'।

বাছাইপর্বে কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রভাব

এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সংগঠন ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) মাধ্যমে গত মাসে একই বিষয়ে নিজেদের অসন্তোষের কথা জানিয়েছিলেন নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ডের অধিনায়কেরা।

বাছাইপর্ব চলাকালীন কাঠামোগত পরিবর্তন আনায় অ্যাসোসিয়েট দলগুলোর পরিকল্পনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, 'টুর্নামেন্টের ১৮ মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত সদস্যদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। বাছাইচক্রের মাঝামাঝি সময়ে কাঠামো পরিবর্তন করলে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, যা সীমিত সম্পদের ওপর চলা সংস্থাগুলোর জন্য অতিরিক্ত পরিচালনাগত ও আর্থিক চাপ তৈরি করে।'।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের বর্তমান অবস্থা

বর্তমানে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ লিগ-২-এর খেলা প্রায় শেষের দিকে। সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্র, স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও ওমান সরাসরি ওয়ানডে বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ারে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে। আর পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা চার দল নামিবিয়া, কানাডা, নেপাল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে খেলতে হবে আট দলের 'বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার প্লে-অফে'। সেখান থেকে শীর্ষ চার দল ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে হতে যাওয়া মূল গ্লোবাল কোয়ালিফায়ারে খেলার সুযোগ পাবে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে অ্যাসোসিয়েট দেশগুলো যখন টেস্ট খেলুড়ে পূর্ণ সদস্যদের হারায়, তা ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্তের জন্ম দেয়। এই পারফরম্যান্সগুলো প্রমাণ করে যে সাফল্য মাঠের লড়াইয়েই অর্জিত হয়। আমাদের খেলোয়াড়রা সীমিত সুযোগ-সুবিধা নিয়েও কঠোর পরিশ্রম করে, তারা তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন ও সম্মান পাওয়ার যোগ্য।

বিবৃতিতে আইসিসিকে বিশ্ব ক্রিকেটের বৃহৎ স্বার্থের কথা চিন্তা করে আবার আলোচনার বসার আহ্বান জানিয়ে শেষ অংশে বলা হয়, 'বিশ্বকাপের মঞ্চে অ্যাসোসিয়েট দেশগুলো যখন টেস্ট খেলুড়ে পূর্ণ সদস্যদের হারায়, তা ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্তের জন্ম দেয়। এই পারফরম্যান্সগুলো প্রমাণ করে যে সাফল্য মাঠের লড়াইয়েই অর্জিত হয়। আমাদের খেলোয়াড়রা সীমিত সুযোগ-সুবিধা নিয়েও কঠোর পরিশ্রম করে, তারা তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন ও সম্মান পাওয়ার যোগ্য।'।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is আইস স র আচরণ ক ষ ব?

আইস স র আচরণ ক ষ ব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does আইস স র আচরণ ক ষ ব matter?

আইস স র আচরণ ক ষ ব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.