Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অস্ত্রধারীরা ভিক্ষুকে বলেন, ‘চুপ করে বসে থাকেন’; এরপর বৌদ্ধবিহারে ডাকাতি

Published September 12, 2026 · Updated September 12, 2026 · By Linda Anderson - banglaprabah.com

Foto : Linda Anderson - banglaprabah.com

চন্দনাইশের বৌদ্ধবিহারে ভোররাতে অস্ত্রের মুখে লুটের অভিযোগ

Banglaprabah.com – অস ত রধ র র ভ ক - চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দক্ষিণ হাসিমপুর এলাকায় একটি বৌদ্ধবিহারে ভোররাতে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। বিজয়া রামবিহারে মুখোশধারী কয়েকজন অস্ত্রধারী ঢুকে ভিক্ষুকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে বলে বিহার কর্তৃপক্ষের দাবি। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার ভোর প্রায় চারটার দিকে।

বিহারের ভিক্ষু জ্ঞান রক্ষিত জানান, ধর্মীয় কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিতে ওই সময় তিনি নিজের কক্ষের দরজা খুলেছিলেন। দরজা খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র হাতে তাঁর কক্ষে প্রবেশ করেন। তাঁদের মুখ ঢাকা ছিল বলে তিনি জানিয়েছেন।

ভিক্ষুকে কক্ষে বসিয়ে রাখার অভিযোগ

জ্ঞান রক্ষিতের ভাষ্য, কক্ষে ঢোকার পর অস্ত্রধারীরা তাঁকে খাটে বসে থাকতে বলেন এবং কথা বললে বিপদের হুমকি দেন। আতঙ্কের মধ্যে তিনি তাদের বাধার মুখে পড়েন।

“চুপ করে বসে থাকেন, কথা বললে সমস্যা হবে।”

এরপর আলমারির চাবি তাঁর কাছ থেকে নিয়ে নেয় তারা। চাবি ব্যবহার করে আলমারি খুলে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। ভিক্ষুর দাবি, সেখান থেকে প্রায় ৩০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। একটি সাউন্ড বক্সসহ আরও কিছু মূল্যবান জিনিসপত্রও খোয়া গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। বিহারের মতো স্থানে ভোরের সময় ধর্মীয় কাজ শুরু হওয়ার আগে বা চলাকালে মানুষ অবস্থান করেন। ফলে নিরাপত্তার বিষয়টি সেখানে বিশেষ গুরুত্ব পায়। তবে এই ঘটনায় কারা জড়িত এবং লুট হওয়া সামগ্রীর মোট মূল্য কত, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি।

বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে চলে যায় দুর্বৃত্তরা

লুটের পর অস্ত্রধারীরা কক্ষ থেকে বের হয়ে দরজাটি বাইরে থেকে আটকে দেয় বলে জানান জ্ঞান রক্ষিত। পরে পাশের কক্ষে থাকা দুই শ্রমণকে ডেকে তিনি দরজা খোলানোর ব্যবস্থা করেন। এরপর বিহার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানায়।

ঘটনার সময় বিহারে কতজন ব্যক্তি ছিলেন কিংবা আশপাশের কেউ দুর্বৃত্তদের চলাচল দেখেছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। মুখোশ ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগের কারণে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে প্রত্যক্ষ তথ্য ও তদন্তের গুরুত্ব রয়েছে।

বৌদ্ধবিহারটি ধর্মীয় আচার ও প্রার্থনার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এমন স্থানে অনুপ্রবেশ, ভীতি প্রদর্শন এবং সম্পদ লুটের অভিযোগ শুধু আর্থিক ক্ষতির প্রশ্ন নয়; সেখানে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের নিরাপত্তার বিষয়টিও সামনে আনে। ঘটনার পর বিহার পরিচালনার সঙ্গে যুক্তদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনার প্রয়োজন হতে পারে।

পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে

চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম দিদারুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছে। বিহার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। অভিযোগ জমা হলে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

লিখিত অভিযোগের পর তদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এগোবে। এ ক্ষেত্রে ঘটনাস্থলের আলামত, আশপাশের তথ্য এবং লুট হওয়া জিনিসের বিবরণ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অভিযোগে নগদ অর্থ, সাউন্ড বক্স ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর কথা থাকায় সেগুলোর শনাক্তযোগ্য তথ্যও তদন্তে সহায়ক হতে পারে।

ভিক্ষু জ্ঞান রক্ষিতের বর্ণনায়, পুরো ঘটনায় মূল লক্ষ্য ছিল আলমারিতে রাখা টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী। তবে দুর্বৃত্তদের সংখ্যা, তাদের পরিচয়, কোন পথে তারা বিহারে ঢুকেছিল কিংবা কোথায় চলে গেছে—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

বিহার কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। অভিযোগটি গ্রহণের পর ঘটনার প্রকৃতি যাচাই করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is অস ত রধ র র ভ ক?

অস ত রধ র র ভ ক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does অস ত রধ র র ভ ক matter?

অস ত রধ র র ভ ক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.