Banglaprabah
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অবসর–সুবিধার টাকা পেতে শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

Published August 15, 2026 · Updated August 15, 2026 · By Jennifer Rodriguez - banglaprabah.com

Foto : Jennifer Rodriguez - banglaprabah.com

অবসর সুবিধার টাকা এখন অনলাইনেই: শিক্ষকদের আর অফিস চকর দিতে হবে না

Banglaprabah.com – অবসর স ব ধ র ট ক - রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শনিবার অনুষ্ঠিত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অবসর ও কল্যাণ-সুবিধার অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দেন যে, নির্বাচিত সরকারের আমলে শিক্ষকদের অবসরকালীন সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না। তিনি জানান, ভোগান্তি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের যন্ত্রণা ছাড়াই যথাসময়ে অনলাইনের মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে।

এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ৭০ হাজার ১১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ২০২২ সালের পর দীর্ঘ চার বছর পর সরকারি দুটি ফান্ডে জমানো অর্থের একটি অংশ ফেরত পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট' ও 'অবসর সুবিধা বোর্ড' থেকে সরাসরি এই অর্থ শিক্ষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে, যার ফলে তাদের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটেছে।

শিক্ষকসমাজ, যারা নীতি-নৈতিকতা আর আদর্শের বাণী শিখিয়ে লাখোকোটি শিক্ষার্থীকে বড় করে তোলে, তাদের যদি ঘুষ দিয়ে টাকা তুলতে হয় বা অফিসে ঘুরে ভোগান্তি পোহাতে হয়, সেটি শুধু শিক্ষকদের হারানি নয়; বরং জাতি হিসেবে আমাদের দীনতা ও হীনতাই প্রকাশ পায়।

অবসরকালীন সুবিধার টাকা বণ্টনের এই পথ সহজ ছিল না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পতিত, পরাজিত ও বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী সরকার ব্যাংক-বিমাসহ প্রতিটি সেক্টরের মতো শিক্ষকদের এই দুটি তহবিল থেকেও লুটপাট চালিয়েছিল। জাল ইনডেক্স তৈরি, লুটপাটের উদ্দেশ্যে শিক্ষকদের কল্যাণ তহবিলের অর্থ দুর্বল ব্যাংকে সরিয়ে নেওয়া এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামো ধ্বংস করার মাধ্যমে তহবিল দুটিকে দেউলিয়া করে ফেলা হয়েছিল। যার ফলে ২০২২ সাল থেকে শিক্ষকেরা কোনো অর্থ পাচ্ছিলেন না।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পর্যাপ্ত অর্থ না থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের দুরবস্থা বিবেচনা করে বিশেষ ব্যবস্থায় আজ তাঁদের টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

গভীর শ্রদ্ধায় বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১৯৯১ সালে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট এবং ২০০২ সালে অবসর সুবিধা বোর্ড তাঁর দূরদর্শী উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি প্রথমে ১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে পর্যায়েক্রমে ৮৯ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করে এই তহবিলের সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেন। বেগম খালেদা জিয়া প্রবর্তিত 'শিক্ষা উপবৃত্তি ও নারী শিক্ষার জন্য বিনা বেতনে পাঠার সুযোগ' আজ বিশ্বজুড়ে একটি অনুসরণীয় মডেল হিসেবে সমাদৃত।

শিক্ষিত সমাজ গড়তে শিক্ষকদের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'শিক্ষকতা হলো একমাত্র পেশা, যা অন্য সব পেশার সৃষ্টি করে। আপনারা প্রচলিত নিয়মে অবসরে গেলেও শিক্ষক হিসেবে আপনাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়নি। সমাজ ও রাষ্ট্রের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় আপনাদের ভূমিকা সর্বজনগ্রাহ্য। আপনারা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই সমাজে আলোকবর্তিকা হিসেবে ভূমিকা রাখবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।' অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষাসচিব আবদুল খালেক প্রমুখ।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is অবসর স ব ধ র ট ক?

অবসর স ব ধ র ট ক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does অবসর স ব ধ র ট ক matter?

অবসর স ব ধ র ট ক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.