অবসরভাতা অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত
অবসরভ ত র অপ ক ষ করত – মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) প্রশাসনিক ভবনে আয়োজিত অবসরভাতা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি অনুষ্ঠানের সময় খাম খুলে চেক তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, যার মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত ৮ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে টাকা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর উপদেশ ও বক্তব্য
অবসরভাতা পাওয়ার পর কর্মকর্তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বিএফডিসির সংকট তিনি বুঝতে পেরেছেন। তিনি যুক্তিসম্মত ভাষায় বলেন, ‘এখানে আন্তরিকতার অভাব ছিল। একজন মানুষ সারা জীবন চাকরি করে শেষ সময়ে এসে এ টাকার জন্য ঘুরবে, এটা উচিত নয়। মাননীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আমি কথা বলব, যত দ্রুত পারা যায় আমরা সবার অবসরভাতা ক্লিয়ার করব।’
‘ডাক্তাররা তাঁদের সন্তানদের ডাক্তার বানাতে চান, অন্য অনেক পেশার অভিভাবকেরা তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মকে নিজের পেশায় দেখতে চান। আমরাও আশা করি আপনাদের সন্তানদের এখানে কাজ করার স্বপ্ন দেখবে।’
সভাপতির বক্তব্য ও কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ
বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান বলেন, যাঁরা বহুদূর থেকে অপেক্ষায় থাকতে করতে অবসরভাতা গ্রহণ করতে এসেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। তিনি আরও বলেন, এতে আপনাদের জীবনযাপন সহজ হবে।
‘যাঁরা অনেক আগে অবসরে গিয়েও প্রাপ্য টাকা পানি নি, তাঁদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের ভোগান্তি যাতে শিগগিরই শেষ হয়, সেই আশাটুকু রাখব।’
আগে অনুষ্ঠানে মোট ২৩ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে অবসরভাতা দেওয়া হয়েছিল। ঐ অনুষ্ঠানে তুলে দেওয়া হয়েছিল ৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। বছর শেষে আরও ৩ জন এবং আজ আরও ১১ জন কর্মকর্তাকে চেক দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আরও ৪৯ জন চেকের অপেক্ষায় আছেন।
আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলমসহ অনেকে। এ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী একটি চেক খাম থেকে বের করে তার প্রতি মজা করে বলেন, ‘খামের ভেতর চেক আছে তো?’
বিএফডিসির সাথে সরকারের প্রতিভা অন্বেষণের উদ্যোগ
সরকার চলচ্চিত্রশিল্পের উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং মানুষের কল্যাণে আন্তরিক মনোয়ার জন্য ইয়াসের খান চৌধুরী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শিগগির প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম শুরু করছি। সারা দেশ থেকে প্রতিভা বের করব আমরা। এ দায়িত্ব দিতে চাই বিএফডিসিকে। তারা বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাথে যৌথভাবে এ দায়িত্ব পালন করবে।’
