অনুপস্থিত আসামিদের বিচার নিয়ে প্রশ্ন, ট্রাইব্যুনাল বললেন ‘উপায় না দেখালে কথা শুনব না’
অনুপস্থিত আসামির বিচারে ট্রাইব্যুনালের স্পষ্ট বক্তব্য
বিচারকের সরাসরি উত্তর
Banglaprabah.com – অন পস থ ত আস ম দ - জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সোমবার যুক্তিতর্কের সময় আসামিদের অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যাওয়ার প্রশ্ন তোলার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত উত্তর দেন। তাঁর বক্তব্য ছিল—সমালোচনার পাশাপাশি বিকল্প পদ্ধতি প্রস্তাব করতে হবে, নাহলে সেই সমালোচনা শোনার প্রশ্নই ওঠে না।
'রাস্তাটা কী? যাঁরা সমালোচনা করেন তাঁদের বলা উচিত, দিস ইজ দ্য ওয়ান আউট। তাঁরা না দেখাতে পারলে তাঁদের কথা আমরা শুনব না।'
একই ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ যোগ করেন, ভারতীয় উপমহাদেশের প্রতিটি দেশেই অনুপস্থিত আসামির বিচারের আইনি বিধান বিদ্যমান এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এরূপ বিধান কার্যকর রয়েছে।
প্রসিকিউশনের যুক্তি ও রোম সংবিধির প্রাসঙ্গিকতা
প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম যুক্তিতর্কে তুলে ধরেন, মানবাধিকার সংস্থাগুলো প্রশ্ন তুলছে—আসামি অনুপস্থিত থাকলে ন্যায়বিচারের উপস্থিতি নিশ্চিত হয় কি না। তাঁদের দাবি, অনুপস্থিতিতে আসামি নিজের আত্মপক্ষ সমর্থন করতে সক্ষম হন না।
এই প্রসঙ্গে বিচারপতি চৌধুরী জবাব দেন:
'তাহলে কী ব্যবস্থা আছে বলেন। যদি কোনো ব্যবস্থা থাকে, তাহলে ওই দিকে যাব। না হলে এভাবেই চলবে।'
বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ রোম স্ট্যাটিউটের ৬১ নম্বর ধারা উদ্ধৃত করে ব্যাখ্যা করেন: অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় উপস্থিত হয়ে শুনানিতে অংশ নিয়ে থাকলে পরে তিনি না আসলে এবং আইনজীবীও নিয়োগ না দিলে বিচার চালিয়ে যাওয়া যায়। তিনি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন—এই বিধানকে মানলে অপরাধীদের বিচারই হবে না, অথচ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হতাহতদের বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
মামলার বৈশিষ্ট্য ও বর্তমান অবস্থা
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের হয়েছে। বাকি আসামিরা হলেন—যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ।
সাতজনেরই বর্তমান অবস্থা পলাতক। মামলাটি এখন রায়ে অপেক্ষমাণ। জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেকটি মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে; এ ছাড়াও একাধিক মামলায় অনুপস্থিত আসামিদের সাজা ঘোষণা হয়েছে।
প্রায়শ্নোত্তর
প্রশ্ন: অনুপস্থিত আসামির বিচার আইনত সম্ভব কি না? উত্তর: রোম স্ট্যাটিউটের ৬১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি একবার স্বেচ্ছায় উপস্থিত হয়ে শুনানিতে অংশ নিয়ে
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is অন পস থ ত আস ম দ?অন পস থ ত আস ম দ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does অন পস থ ত আস ম দ matter?অন পস থ ত আস ম দ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.