৩২ শিক্ষার্থী হিন্দু, বঞ্চিত মুসলিমরা
৩২ শ ক ষ র থ র – সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি উপবৃত্তির তালিকা ভাইরাল হওয়ার পর একটি বিশেষ দাবি ছড়িয়ে পড়েছে যে মাগুরা-২ নির্বাচনী এলাকায় সরকারি বৃত্তি পাওয়া সবাই হিন্দু সম্প্রদায়ের এবং একজন মুসলিম শিক্ষার্থীকেও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই দাবি নিয়ে শতাধিক ফেসবুক পেজ, গ্রুপ এবং ব্যক্তিগুলো ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বৈষম্যের আরোপ করে পোস্ট ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে তথ্য অনুসারে এই তালিকা সবাই হিন্দু নয়, এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি প্রোগ্রামের আওতায় প্রস্তুত করা হয়েছে।
ভাইরাল তালিকাটি কী?
তদন্তে উঠে আসে যে ভাইরাল তালিকাটি সমতলে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এই উপবৃত্তির প্রোগ্রামটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি কর্মসূচির আওতায় চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বিশেষ এলাকার শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা হয়। এই তালিকাটি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাই নয়, এটি জাতিগোষ্ঠী ভিত্তিক কাজের পরিচয় দেয়।
প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার অনুসারী বিশিষ্ট ফেসবুক পেজটি থেকে প্রকাশিত ফটোকার্ডে দাবি করা হয়েছে যে মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ৩২ জন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তির টাকা প্রদান করেছেন, যারা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়ের। তবে তালিকাটি বাস্তবে হিন্দু শিক্ষার্থীদের বিশেষ ভাবে সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
প্রোগ্রামের স্বরূপ ও শর্তাবলী
প্রাথমিক পর্যায়ে দেখা যায় যে এই উপবৃত্তির ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারি স্বাক্ষরকৃত তালিকার সাথে সম্পর্কিত সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে নির্বাচনী এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ তহবর দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি তালিকায় শিক্ষার্থীদের বিশেষ অবস্থা ও জাতিগোষ্ঠী অনুসারে সুযোগ প্রদান করা হয়।
সম্প্রতি প্রকাশিত তালিকার মূল পরি�
