বান্দরবানের লামার স্মৃতি ভুলতে পারেন না নাজিফা তুষি
ব ন দরব ন র ল ম – অনেক স্থানে ব্যক্তিগত গল্পের অংশ হয়ে থাকে। তাদের প্রথম প্রবেশের দিনটি স্মৃতিতে প্রাণপ্রাণ থাকে। আবার সেখানে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা মাঝে মাঝে জেগে ওঠে। প্রথম আলোর শনিবারের ক্রোড়পত্র ক্ষেত্র হিসেবে আজ নাজিফা তুষি আপনাদের জানাচ্ছেন বান্দরবানের লামার কথা।
নাজিফা তুষি বলেন, স্বাভাবিক ভাবে ঘুরতে আমার খুব ভালো লাগে। দেশে বিদেশে কোনও স্থানে বেড়াতে যাওয়ার আনন্দ কখনও কমে না। কিন্তু বান্দরবানের লামার জন্য আমি কোনও কারণেই ভুলতে পারি না। তার প্রতি আমার ভালোবাসা সব সময় জাগে।
আমার জন্ম ছিল চট্টগ্রামে। সেখানে অনেক পছন্দের স্থান রয়েছে। কিন্তু লামার সঙ্গে ছোটবেলার স্মৃতি আমার জীবনে জড়িয়ে আছে। সেখানে গিয়েছিলাম মেডিটেশন কোর্সের জন্য। সেই সময় তার বিশেষ করে আজীবন বিশিষ্ট অ্যাডভেঞ্চার সৃষ্টি করেছিল।
ক্লাস সেভেনের সময় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মেডিটেশন কোর্স করেছিলাম। সেখানে প্রথম লামা সম্পর্কে জানতে পারি। লামায় একটি মেডিটেশন প্রোগ্রাম ছিল যার নাম ‘মনো সাধনা’। চার দিনের সময় সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এই কাজ চলত। কোনও সময়ে খাওয়া-দাওয়া হতো, কিন্তু কথা বলার সুযোগ কখনও পাইনি। এ সময়টায় মনের যত্ন নিতে হত।
সেখানে ঘুরতে গেলে একটি স্থানে বসে প্রকৃতির মধ্যে সময় কাটে এমন অদ্ভুত অনুভূতি হতো। ঝরনার শব্দ স্পিরিচুয়াল ভাব তুলে ধরেছিল। যে কারণে আজও লামার দিকে সব সময় আগ্রহ নেই।
লামায় দুইবার গিয়েছি। প্রথম আসার সময় কলেজে পড়ার দিনটি আসে। তখন আসার পথ সহজ ছিল না। অনেক সময় যাওয়ার অনুমতি পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমানে আমি কিছুতেই অপেক্ষা করতে চাই না। সাক্ষাৎকারকারী বলেন, আজ নাজিফা তুষি তার সম্পর্কে বলেছেন যে মিরিঞ্জা ভ্যালিতে অনেক রিসোর্ট হয়েছে। তার জন্য কোনও সময়ে যাওয়া যায়।
এখন আমি পাহাড়ি প্রকৃতি আর ঝরনা দেখতে দ্রুতই লামায় যেতে চাই। যেকোনো সময় ওই স্থানে বিশেষ আনন্দ মনে হয়।
সাক্ষাৎকার: সামীর আলম
