৫ আগস্টের পর জেল থেকে পালানো গোপালগঞ্জের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
রাজনৈতিক সংঘটনার পর পালিয়ে যাওয়া আসামি গ্রেপ্তার হলেন
৫ আগস ট র পর জ ল – ৫ আগস্টের পর জেল থেকে পালিয়ে যাওয়া গোপালগঞ্জের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবদুল্লাহ শিকদারকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল শুক্রবার দারুস সালাম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে ধরা হয়। এ তথ্য শনিবার মিরপুরে পাইকপাড়া র্যাব-৪ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়। আসামি গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া এলাকায় হত্যা মামলার জন্য মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন যা ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে নির্ধারিত হয়। তাঁকে পালিয়ে যাওয়ার পর তিনি বিভিন্ন ছদ্মবেশে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।
২০২১ সালের ৭ অক্টোবর টুঙ্গিপাড়া থানায় হত্যা মামলা হয় যার ফলে আবদুল্লাহ শিকদারকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এ মামলার আসামি হিসেবে তিনি কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে পাঠানো হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি কারাগারে সৃষ্ট সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনার পর তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে যে কোনাবাড়ি থানায় তাঁর জামিন জমা দেয়ার পর তাঁকে সেখানে হস্তান্তর করা হয়।
অভিযানে সাব্যস্ত করা হয় তিনি কারাগারে সহিংস প্রতিরোধ করেছিলেন
গ্রেপ্তারকারী অভিযানে পালানো আসামি আবদুল্লাহ শিকদার কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে পালিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন ছদ্মবেশে তাঁর অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত নজরদারির সমন্বয়ে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি সম্পর্কে পুনরায় তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া সামগ্রিকভাবে চালু করা হয় এবং কারাগারে সহিংসতার সূত্রে তাঁকে পালানো সম্ভব হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি তাঁর প্রতিবেশী লুৎফর রহমানকে হত্যা করার সাথে জড়িত ছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের মুখে আসামি কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন ছদ্মবেশে তাঁর স্থান সনাক্ত করা হয়। স্থানীয় গোয়েন্দা ও প্রযুক্তি সম্পন্ন অভিযানের ফলে তাঁকে ধরা হয়। কারাগার থেকে পালানোর পর তিনি কয়েকটি স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন এবং তাঁর পালিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তাঁর কাছে আসামি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল যার ফলে তিনি কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে বন্দী ছিলেন।
আদালতে মৃত্যুদণ্ড বনাম জামিন বিতর্ক চালু হয়েছিল
আসামি গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া এলাকায় হত্যা মামলার সময় সার্বিক সহিংসতা ও কারাগার সংকট
