তরুণ তাহসীন ইসলামকে উগ্রবাদে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়
উগ রব দ জড় ত অভ য – উগ্রবাদে জড়িত অভিযোগে তরুণ তাহসীন ইসলামকে (১৯) কারাগারে পাঠানোর আদেশ জারি করা হয়েছে। এ আদেশ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর নির্দেশ দেন, যার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক এ বি সিদ্দিকের আবেদন অনুমোদন পেয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাহসীনকে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কাঠগড়ায় তোলা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাঁর কাছে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন এবং তাঁকে বিশেষ সময়সীমার মধ্যে তদন্ত শেষ করার জন্য নির্দেশ দেন।
অভিযোগের মূল তথ্যসমূহ
তাহসীন ইসলাম ফাতাহ কমব্যাট সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি এফসিএসর সদস্য বলে স্বীকার করেছেন, যার ফলে তাঁকে যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের হাতে তুলে ধরা হয়। আটক করা হয় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে, যখন তাঁর ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি চাপাতি এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আটক করার সময় তাহসীনের বাড়িতে তাঁর সাথে আরও কয়েকজন ব্যক্তি ছিলেন যারা উগ্রবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে একত্রে গ্রেপ্তার করা হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাহসীন ইসলামকে যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে। অভিযানের সময় তাঁর ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি চাপাতি ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মিরাজুল ইসলাম জানান, ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগে তাহসীন ইসলামের নামে মামলা ছিল বলে তাঁকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ তাঁকে রাতেই সিটিটিসি সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে। এই অভিযোগ ছিল বিশেষ পরিচয় প্রদানের সময় উপস্থিত হওয়া বাবদ। কারাগারে পাঠানোর আদেশ সাত দিনের রিমান্ডের জন্য জারি করা হয়।
আসামির প্রতিবাদ এবং আদালতের প্রতিক্রিয়া
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে আদালত তাহসীনকে সাত দিনের রিমান্ডে দেখানোর আদেশ দেন। আসামি বলেন, “আমি নির্দোষ। আমার আর কিছু বলার নেই।” বিচারক জানতে চান, “আপনার কোনো আইনজীবী আছে কি?” আসামি বলেন, “না।” শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তদন্�
