জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন ২০২৬
১১০ চলচ চ ত র স সদ – বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের যৌথ প্রচেষ্টায় আয়োজিত এ সম্মেলনে সারা দেশের ১১০টি চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এ অধিবেশনে সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নতি সাধনে চলচ্চিত্রের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে বলে মনে করেন সংসদের প্রতিনিধিরা।
মন্ত্রীর বক্তব্য
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন প্রধান অতিথি হিসেবে বলেন, চলচ্চিত্র সমাজের বিভিন্ন প্রতিকূলতার মুখে পড়ছে নতুন নির্মাতাদের। সরকারের সহযোগিতা ছাড়া সংসদগুলো এগিয়ে চলতে পারে না। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সরকার যে কোনো ভুলে সমালোচনা করতে পারে।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বেলা সাড়ে ১১টায় প্রদর্শিত হয় চলচ্চিত্র বাড়ির নাম শাহানা। সম্মেলনের অন্য একটি অংশ হিসেবে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় আঞ্চলিক চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধিদের মধ্যে। সেখানে কী ধরনের প্রতি সমস্যা ও অসুবিধা উঠে আসে সংসদগুলোর কাজ করার পরিচয়।
সভাপতির মন্তব্য
বিএফএফএসের সভাপতি জহিরুল ইসলাম বলেন, নতুন নির্মাতাদের চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য সরকারের বিশেষ প্রয়োজন হয়। সিনেমা প্রদর্শনীতে তথ্য ভবন সহ বিভিন্ন জায়গায় আজীবন সম্মান দেওয়া উচিত।
সম্মেলনে আকরাম খান, খন্দকার সুমন ও মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম এর মতো চলচ্চিত্র পরিচালকদের গল্প শ্রোতা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম আবদুর রহমান এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক ফারহানা রহমান।
পরিচালক মোহাম্মদ কাইউম, আকরাম খান এবং মোহাম্মদ নূরউল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে অংশ নেন। সম্মেলনে চলচ্চিত্র সংসদ আজীবন সম্মাননা ও পদক পেয়েছেন শিল্প ও চলচ্চিত্র সমালোচক মইনুদ্দীন খালেদ।
