Uncategorized

নড়াইলে বসতঘরে পাথরবোঝাই ট্রাক, চাপা পড়ে ঘুমিয়ে থাকা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নড়াইলে বসতঘরে পাথরবোঝাই ট্রাক উল্টে পড়ে ঘুমিয়ে থাকা শিক্ষার্থীর মৃত্যু নড় ইল বসতঘর প থরব ঝ ই - নড় ইল বসতঘর প থরব ঝ ই সংঘটিত হয়েছিল গতকাল রোববার মধ্যরাতে।

Desk Uncategorized
Published July 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নড়াইলে বসতঘরে পাথরবোঝাই ট্রাক উল্টে পড়ে ঘুমিয়ে থাকা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নড় ইল বসতঘর প থরব ঝ ই – নড় ইল বসতঘর প থরব ঝ ই সংঘটিত হয়েছিল গতকাল রোববার মধ্যরাতে। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নলদী এলাকায় একটি ট্রাক উল্টে পড়ে, যার ফলে বসতঘরে ঘুমিয়ে থাকা দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। ট্রাকটি মিঠাপুর থেকে ব্রাহ্মণডাঙ্গায় পাথর বাহন করে যাচ্ছিল, যেটি সেতু নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল। সড়কের সংকীর্ণ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাক চালক পরিচালনার ভুলে ঘটনা ঘটে। কিছু দূর যাওয়ার পর পাথর স্তরে চাপা পড়ে ছোট বোনদ্বয়কে আটকে নেয় ঘটনার পরপরই।

নিহত ও আহত শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত বর্ণনা

নিহত শিক্ষার্থী হলেন শামিমা আক্তার (১৭), যিনি হাফিজার মোল্যার কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. হাফিজার মেয়ে এবং নলদী বিএসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। তার ছোট বোন মিতু খানম (১৩) গুরুতর আহত হয়েছিলেন। তাঁদের পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, ট্রাকটি দুর্ঘটনার সময় এলাকার অধিকাংশ রাস্তার মাঝখানে আটকে ছিল। অপরাহ্নে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া লোকজন পাথর সরাতে সময় লাগে। পরিবার ও স্থানীয় বাসিনদের প্রতিক্রিয়া খুব তীব্র হয়।

আহত ছাত্রের চিকিৎসা ও পরিস্থিতি

তাঁদের চিকিৎসা প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা গেছে যে, শামিমাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অন্য ছাত্র মিতুকে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি। কিন্তু ট্রাক চালক পালিয়ে গেছেন ঘটনার সময়ই। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, এই ট্রাকটি বিশেষ করে বসতঘর এলাকার জন্য পাথর বাহন করছিল। এই ঘটনায় এলাকার মানুষের ভয় দেখা দিয়েছে।

দুর্ঘটনার পর লোকজন উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছিল। পাথর স্তর থেকে শামিমাকে উদ্ধার করতে প্রায় এক ঘন্টার সময় লাগে। মিতুকে নড়াইল জেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এই ঘটনার প্রতি অধিকাংশ লোক আক্রোশ প্রকাশ করেছেন। কিছু সূত্র অনুযায়ী, ঘটনার কারণ পরিচালনার ভুল হতে পারে।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রহিম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ট্রাক চালক পালিয়ে গেছেন এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর লোকজন নিজেদের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায়। সূত্র থেকে জানা গেছে যে, চালক তাঁদের পরিচিত হতে পারে।

পরিচালনা ভুলের প্রতি লক্ষ্য করা হচ্ছে যে বিশেষ করে রাস্তার অসুবিধা ঘটনার জন্য কারণ হতে পারে। লোহাগড়া উপজেলার প্রতিক্রিয়া খুব গুরুতর হয়। পরিবার দুঃখে আছে এবং ঘটনার পর কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায় নি। তবে স্থানীয় সংবাদ প্রচার হয়েছে যে ট্রাক চালক যথাক্রমে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।

তদন্তের প্র

Leave a Comment