উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল পরিস্থিতি
উপক ল এই দ র ন ত – উপকূলীয় এলাকাগুলো ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের চরম ধ্বংসের কারণে সুপেয় পানির সংকট এখন মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং ভূগর্ভস্থ জলস্তরের ক্ষীয়মান হ্রাস দেখা গেছে এবং এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার জন্য সরকার দেশের দশ টি উপকূলীয় জেলায় বৃষ্টি পানি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে একটি নতুন প্রকল্প চালু করেছে। প্রকল্পটি হাতে নেয়ার পর থেকে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি হয়েছে বলে বলা যায়।
বরগুনায় নিন্দনীয় লুটপাট
অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত কথায় বলা যায় যে বরগুনার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে চলা রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং সিস্টেম প্রকল্পের মাঠপর্যায়ে কাজ কেবল অসম্পূর্ণ রয়েছে বলে দেখা গেছে। কিন্তু অস্বাভাবিক স্তরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোটি কোটি টাকা বিল তুলে নিয়েছে।
প্রথম আলো র অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে কাজ সম্পূর্ণ হয়নি কিন্তু কোটি কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর পর প্রথম আলো র অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে প্রকল্পটির মাঠপর্যায়ে কাজ অসম্পূর্ণ থাকার সত্য তুলে ধরা হয়েছে।
বিল পরিশোধের প্রক্রিয়ায় স্থানীয় কর্মকর্তারা সম্পূর্ণ কাজের দাবি করেছেন। এই কাগজপত্র যাচাই ছাড়া গত বছরের অক্টোবরে প্রকল্প সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট মহলে কিছুটা নড়াচড়া দেখা গেলেও কাজের মান যাচাই বা তদন্ত ছাড়াই চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গোপনে বিল পরিশোধ করা হয়েছে।
তথ্য অধিকার আইনে খুঁজে পাওয়া সত্য
পরবর্তীতে তথ্য অধিকার আইনের আশ্রয় নিয়ে নথিপত্র সংগ্রহের পর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এই লুকোচুরি ও দুর্নীতির মহোৎসব সামনে আসে। প্রকল্প পরিচালকের সরেজমিন পরিদর্শনের আশ্বাসও আমলাতান্ত্রিক কাজের মুখে পড়েছে।
এই প্রকল্পে যুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের যে কর্মকর্তা প্রত্যক্ষভাবে এই অপরাধে সহায়তা করেছেন, তাদের প্রতি আইনের আওতা প্রসারিত হওয়া উচিত। দুর্নীতি দমন কমিশন এবং মন্ত্রণালয় কাজের মান পুনর্বিবেচনা করার জন্য উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে বাধ্য হবে।
উপকূলীয় এলাকাগুলোর অসহায় মানুষের জন্য অন্তত এই পকেট ভারী করার সংস্কৃতি বন্ধ করা আবশ্যক। তৃষ্ণার্ত মানুষের হাহাকা�
