Uncategorized

অব্যবস্থাপনায় চামড়াশিল্প কাঙ্ক্ষিত পথে এগোয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

অব্যবস্থাপনায় চামড়াশিল্প কাঙ্ক্ষিত পথে এগোয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী অব যবস থ পন য় চ মড় - বাংলাদেশের চামড়াশিল্প খাত অব্যবস্থাপনার কারণে উন্নয়নের প্রক্রিয়ায়

Desk Uncategorized
Published May 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

অব্যবস্থাপনায় চামড়াশিল্প কাঙ্ক্ষিত পথে এগোয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

অব যবস থ পন য় চ মড় – বাংলাদেশের চামড়াশিল্প খাত অব্যবস্থাপনার কারণে উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় পিছনে পড়েছে। বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির সাভারের হরিণধরা এলাকায় অনুষ্ঠিত বিসিক চামড়াশিল্প নগরের মতবিনিময় সভার পর এসব মন্তব্য করেন। সভায় বিভিন্ন ট্যানারির মালিকসহ সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম সভার সঞ্চালন করেন। সভার আগে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারে ঘুরে দেখেন। সেখানে সমস্যাগুলো তুলে ধরেন মন্ত্রী এবং তাঁর বিশ্লেষণ প্রকাশ করেন।

চামড়া খাত অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি খাত ছিল ও এখনো আছে। যে পরিমাণ চামড়া বাংলাদেশে আহরিত হয়, সারা বছরে যদি তার পুরোটা আমরা রপ্তানি খাতে নিতে পারতাম, তাহলে এই খাত অন্তত ১২ বিলিয়ন ডলারের একটি রপ্তানি খাতে পরিণত হতো।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদি বলেন, কোরবানির ঈদের পর পিক সিজনে সিইটিপিতে ৪৫ হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য পরিশোধনের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বাস্তবে এই সিইটিপিতে প্রায় ১৪ থেকে ১৮ হাজার কিউবিক মিটার পরিশোধন করা হয়। এটি সিইটিপিতে বর্জ্য আগে কারখানা পর্যায়ে প্রি-ট্রিটমেন্টের মানের ওপর নির্ভর করে।

সিইটিপিতে ডিজাইনের ত্রুটি, সেন্ট্রাল সেডিমেন্টেশন ব্যবস্থা, টারশিয়ারি ট্রিটমেন্ট এবং ক্রোম রিকভারি ব্যবস্থার অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। চায়নিজ প্রতিষ্ঠানের ঘোষিত সক্ষমতা ২৫ হাজার কিউবিক মিটার ছিল কিন্তু যাচাই করে পাওয়া গেছে সেটি সীমাবদ্ধ হয়েছে।

আগামী দিনে সক্ষম ট্যানারিগুলোতে নিজস্ব সিইটিপি স্থাপনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে সরকার সহায়তা করবে। মন্ত্রী আরও জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় সিইটিপিকে কর্মক্ষ

Leave a Comment