ডলার ভিত্তিক রিজার্ভ কমানোর পরিকল্পনা করছে বিশ্বের অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ডল র ব চ স ন ক – বিশ্বের বেশির ভাগ কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী দশকে ডলার ভিত্তিক রিজার্ভ কমানোর পরিকল্পনা করছে। সোনা সহ অন্যান্য মুদ্রায় রিজার্ভ বাড়ানোর বিষয়ে এদের আগ্রহ ডলার রিজার্ভ বাড়ানোর চেয়ে বেশি। এ বিষয়ে প্রথম কোনও পরিবর্তন দেখা গেল বলে জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান অফিশিয়াল মনিটারি অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস ফোরাম (ওএমএফআইএফ)।
সম্প্রতি প্রকাশিত জরিপে দেখা গেল যে ডলার রিজার্ভ কমানোর প্রবণতা ডলার রিজার্ভ বাড়ানোর চেয়ে প্রায় দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন হারে নেমে এসেছে। এই সময় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া বিশ্বব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেনে ডলারের ব্যবহার কমছে।
প্রকাশিত জরিপটি চলতি বছরের মার্চ থেকে মে মাসে পরিচালিত হয়। এতে বিশ্বের ৭৪টি কেন্দ্রীয় ব্যাংক অংশ নেয়। বিশ্বব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে ফেলতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা এ বছর সে চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে গবেষণাপ্রতিষ্ঠান বিশ্বায় উল্লেখ করেছে।
সোনার বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিবেদন
এই পরিবর্তনের পেছনে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি ও আন্তর্জাতিক মুদ্রাব্যবস্থার স্থিতিশীলতার সংশয় রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সম্পদ ব্যবস্থাপনার কৌশলের মূল ভূমিকায় সোনা বর্তমানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে রিজার্ভ সম্পদে সোনার হিস্যা সবচেয়ে বেশি হয়েছে।
ট্রেজারি সম্পদের হিস্যা থেকে সোনার অবস্থান প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে গত দুই বছরে। এ ছাড়া গ্রিন বন্ডের মুদ্রা হিসেবে ইউরো বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। ডয়েচে বুন্দেস ব্যাংকের বাজারবিষয়ক মহাপরিচালক কারস্টেন স্ট্রোবর্ন বলেছেন, ইউরোভিত্তিক আন্তর্জাতিক ঋণের পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে ২০২৫ সালে।
২০২৩ সালে সোনার দাম বেড়েছে ২০ শতাংশের বেশি। তবুও সম্প্রতি রিজার্ভে সোনার চাহিদা বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকছে। এটি ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কারণে ঘটেছে। ওএমএফআইএফের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে সোনার হিস্যা আগের চেয়ে বেশি হয়েছে।
অন্যদিকে রিজার্ভ হিসেবে ইউর�
