কানাডার ম্যানিটোবায় বসন্তের স্নিগ্ধতায় বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপন
ক ন ড র ম য ন – বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ এর উদ্যাপন কানাডার ম্যানিটোবার রাজধানী উইনিপেগে বসন্তের শান্ত আবহাওয়ায় ঘটেছে। ৩ মে স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত উপস্থিতি নিয়ে কয়েক শ বাংলাদেশি প্রাঙ্গণে জীবনের স্বাদ ফিরিয়ে আনে। সেখানে রঙিন পোশাক, পান্তা-ইলিশের আবহ এবং বাঙালি মিলনমেলার ছায়ায় আন্তরিক অনুভূতি নিয়ে কানাডা-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি প্রকাশিত হয়।
বাংলা নববর্ষের বর্ণিল উদ্যাপন
অনুষ্ঠানটি সিবিএ ম্যানিটোবা এবং সহযোগী সংগঠনগুলির যৌথ প্রয়োজনে বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে। প্রাঙ্গণে দেশীয় পণ্য বিক্রি করা হয়, ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকে। প্রবাসী মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রকাশ পেয়েছে এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে।
তিনি বলেন, “বহুসাংস্কৃতিক কানাডায় বাংলাদেশি কমিউনিটির এ ধরনের আয়োজন সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করছে।”
অতিথিরা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভক্ত সাহার উপস্থিতিতে। এ অনুষ্ঠানে সভাপতি হারুনুর রশীদ, সহসভাপতি আবদুল বাতেন, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রজেশ কুমার অংশগ্রহণ করেন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিল্পীদের প্রদর্শনী
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রবাসী শিল্পীদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। লোকগান, নৃত্য এবং দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশন করেন তারা। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ মিলনমেলাকে আরও উল্লেখযোগ্য করে তোলে। মঞ্চে প্রকাশিত হয় ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং লোকজ সুর বহন করে।
ম্যানিটোবায় বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবার-পরিজন নিয়ে খাবারের স্টলগুলোতে ভিড় করে। এ স্টলে ছিল ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা ও পুলি পিঠার সঙ্গে বিরিয়ানি, ফুচকা এবং দেশীয় মিষ্টান্ন।
নববর্ষের সাংস্কৃতিক প্রভাব
উদ্যাপনটি কানাডার ব্যস্ত জীবনে আনন্দের সূচনা করে। সাথে সাথে এটি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের ঐক্য ও শিকড়ের বন্ধন দৃঢ় করে তোলে। অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, পাঞ্জাবি, গহনা এবং বিভিন্ন দেশীয় পোশাকের স্টল। প্রবাসী মহিলারা অনেকে লাল-সাদা শাড়িতে এবং পুরুষরা পাঞ্জাবিতে সেজে উপস্থিতি নিয়ে নববর্ষের আবহকে আরও বর্ণিল করে।
আয়োজনটি দূর পরবাসে বাংলাদেশি মানুষের জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর ও ছবি প্রকাশের মাধ্যমে বিশেষ বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। ই-মেইল: dp@prothomalo.com
