ফ্রান্সের জয়ে রাতটা এমবাপ্পে ও দেশমের স্মৃতি
এমব প প র সঙ গ র – খেলাটি স্পষ্টতই কিলিয়ান এমবাপ্পের নামে গড়ে ওঠে। দুটি গোল করে তিনি বিশ্বকাপ নকআউট পর্বে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড তৈরি করেছেন। গোল করার পর তিনি ফ্রান্স দলের সদস্যদের ছুটে যেতে দেখেছিলেন অনুপ্রাণিত হয়ে।
প্রতিটি গোলের পর দেশম খেলার সাইডলাইনে ছুটে আসেন। মায়ের শেষকৃত্য পূর্ণ করে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসা কোচ তাঁকে আবার বিশ্বকাপ মাঠে স্থান দিয়েছেন। প্রথম আধা ঘন্টায় উসমান দেম্বেলের পাস থেকে তাঁর নিজস্ব শট দ্বারা ফ্রান্সকে বিজয় করে তোলে।
ফ্রান্স কোচ এমবাপ্পে এবং ওলিসের সাথে নিজেদের ক্ষমতা প্রমাণ করেছেন। ওলিসে দুই অ্যাসিস্ট করেন এবং তাঁর পাশে এখন একটি সর্বোচ্চ আসরে পাঁচটি অ্যাসিস্ট রেকর্ড রয়েছে। আর এমবাপ্পের দুই গোল দেখায় যে তিনি বিশ্বকাপে দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন।
নিউ জার্সিতে সুইডেনের বিরুদ্ধে খেলায় ফ্রান্স সুযোগের সম্পূর্ণ প্রাধান্য দেখায়। এমবাপ্পে একটি গোল বাতিল হয়েছিল অফসাইডে। কিন্তু গোলদাতার সাথে ওলিসের স্বল্প সময়ে দুটি বাইসাইকেল কিকের দুর্দান্ত কাজ দেখা যায়।
সব মিলিয়ে ফ্রান্স দলের সবচেয়ে বেশি শটের ২৫টি থেকে এখন মাত্র ১২টি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। ফ্রান্সের প্রথম দুই ম্যাচে চারটি গোল করেছেন এমবাপ্পে কিন্তু এই ম্যাচে তাঁর পরিস্থিতি কম করেনি।
প্রথম আধা ঘন্টায় দেম্বেলের পাস থেকে এমবাপ্পে ফ্রান্সকে বিজয় করে তোলে। বিশ্বকাপে এমবাপ্পে-দেম্বেলে জুটি ছয়টি গোল করেছে যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ হয়েছে। বাকি দুই আসরে জার্মানি ও পোল্যান্ড দলের গোলের সংখ্যা ছয় থেকে পঁচিশ গোল পর্যন্ত হয়।
ম্যাচে দেশম এবং ওলিসে একে একে করেছেন চমৎকার কাজ। এমবাপ্পের জোড়া গোলের পর ফ্রান্স অধিনায়ক দেশমের সাথে দেখা গেছে যে তাঁরা মাঠের জয় অর্জন করেছে। ছয় গোল করে তিনি বিশ্বকাপে মেসির পাশে দাঁড়িয়েছেন।
ম্যাচ শেষে দেশম আর ওলিসের সাথে বিশ্বকাপের পরিস্থিতি কম হয়নি। ফ্রান্স দল নকআউট পর্বে এখন আসরের সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টসংখ্যা অর্জন করেছে ওলিসে। তবে সেটা ছাড়াও ওলিসে দুই আসরে সবচেয়ে বেশি শট ও পাস করেছেন।
ফ্রান্স অধিনায়ক দেশম মাঠ ছাড়ার সময় ৮০ হাজার দর্শকের গ্যালারি থেকে স্টান্ডিং ওভেশন পান। নিউ জার্সিতে ফ্রান্স আগাম নিশ্চিত হয়েছিল যে তারা পরবর্তী চরম পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে।
শেষ বাঁশি বাজার �
