এখন কি বলতে পারব উনি ঋণখেলাপি ছিলেন? আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে সংসদে বিতর্ক
এখন ক বলত প রব উন ঋণখ – বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন উচ্চ আদালত ঋণখেলাপির দায়ে বাতিল করেছেন। এ বিষয়ে সংসদে কথা বলেছেন জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নাজিবুর রহমান। তিনি জানান, আজ ঋণখেলাপির দায়ে একজন ব্যক্তির প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে তিনি জিজ্ঞেস করেন, এখন কি বলতে পারব সে ঋণখেলাপি ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেন
আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিলের পর চট্টগ্রাম-৪ আসনে কী হবে তা নিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আমরা সেদিন জানিয়েছিলাম এ সংসদে কোনো ঋণখেলাপি সদস্য নেই। ঋণগ্রস্ত থাকতে পারে কিন্তু ঋণখেলাপি ছিলেন বলা যাবে না। এখন কি বলতে পারব উনি ঋণখেলাপি ছিলেন না বলে সংসদে আলোচনা হয়।
পয়েন্ট অব অর্ডারের বিষয়ে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে দেন। তবে তিনি (আসলাম চৌধুরী) সংসদ সদস্য নন, আপনার এই ব্যাখ্যা ঠিক আছে।
সংসদ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এটা পয়েন্ট অব অর্ডার হয়নি। কোনো সদস্যের সদস্যপদ থাকবে কি না তা নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। ইসি আদেশ জারি করলে আমি আপনাদের জানাতে পারব। তাই ইসির চূড়ান্ত রায়ের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।
আগে সংসদে ঋণখেলাপির বিতর্ক শুরু হয়েছিল
আগে জুন মাসে সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানা জানান যে, ঋণখেলাপিদের এই সংসদে কথা বলতে হচ্ছে। ওই বক্তব্য দিয়ে সংসদে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সেই প্রসঙ্গে নাজিবুর রহমান জানান, কয়েক দিন আগে কোনো সদস্য আপনার (স্পিকার) কাছে জিজ্ঞেস করেছিলেন সংসদে কোনো ঋণখেলাপি আছে কি না। তখন আপনি বলেছিলেন, বিচারাধীন বিষয়ে বলতে পারছেন না।
এখন কি বলতে পারব উনি ঋণখেলাপি ছিলেন না বলে সংসদে আরও তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা ঋণখেলাপির দায়ে বাতিল হয়েছে এটা বিষয়টি আসলাম চৌধুরী সংসদ সদস্য নন, কিন্তু তার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং উচ্চ আদালত রায় দিয়েছে। এখন কি বলতে পারব উনি ঋণখেলাপি ছিলেন না বলে এই বিষয়টি আরও প্রমাণ প্রয়োজন হয়েছে।
এ ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ঋণখেলাপির দায়ে কোনো প্রার্থী বাতিল হলে তার নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে সংসদ সদস্যপদ থাকবে কিনা। বর
